করোনায় জনশূন্য দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট

আপডেট : ১০ জুন ২০২০, ২১:১৯

স্বল্প পরিসরে খুলে দেওয়ার দাবি

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা

সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর দর্শনা বন্দর দিয়ে রেলপথে শুরু হয়েছে পণ্যের আমদানি-রপ্তানি। তবে এখনো যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক না হওয়ায় প্রায় জনশূন্য দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্টটি। কর্মহীন হয়ে পড়েছে চেকপোস্টটিকে কেন্দ্র করে জীবনধারণ করা হাজার হাজার খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের দাবি স্বল্প পরিসরে হলেও চেকপোস্টটি খুলে দেওয়া হোক।

জানা যায়, ১৯৪৭ সালে চেকপোস্টটি স্থাপিত হয়। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতা-যুদ্ধের পর আবার ১৯৭৮ সালে চালু হয়। এরপর থেকে এটি এক ঘণ্টার জন্যও পাসপোর্টযাত্রীর যাতায়াত বন্ধ হয়নি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকার গত ১৩ মার্চ বিকাল থেকে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা জয়নগর চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তারপর থেকে জনশূন্য হয়ে পড়ে চেকপোস্টটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিস বন্ধ থাকায় এক সময়ের প্রাণচঞ্চল দর্শনা জয়নগর-গেদে চেকপোস্টটির সর্বত্র বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। নেই কোনো হাঁকডাক, কোলাহল। অলস সময় কাটাচ্ছে বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারের লোকজন, আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিক, কর্মচারী,  ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, আনসার সদস্যরা। নেই অটোচালকদের হাঁকডাক।

কে হাসান ট্রেডিংসের প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম জানান, দর্শনা রেলপথে ভারতীয় শুকনা ঝাল, আদা, পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকৃত মালামাল দর্শনা বন্দরে খালাস হওয়ার পর ট্রাকযোগে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেওয়া হচ্ছে। দর্শনা জয়নগর চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ এস আই রাশেদ জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী যাত্রী ছাড়া অন্য পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না।