মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে ‘পুলিশের নির্যাতনে’ যশোরের কলেজছাত্র ইমরান হোসেনের দুইটি কিডনিই নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ ঘটনায় মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
সংবাদ সূত্রে জানা যায়—কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, শাহবাজপুর গ্রামের নিকার আলীর পুত্র ইমরান হোসেন অভিযোগ করেন, ৬ জুন, ২০২০ তারিখে সন্ধ্যায় এলাকার এক ছেলেসহ ইজিবাইকে বাসায় ফেরার পথে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সাজিয়ালি ক্যাম্পের পুলিশ তার গতিরোধ করে এবং তার সঙ্গে থাকা ছেলেটির ব্যাগ তল্লাশি শুরু করে। ভয়ে ইমরান দৌড় দিলে পুলিশ ধাওয়া করে তাকে ধরে এবং ক্যাম্পের এএসআই সুমারেশ সাহা, এএসআই সাজদার রহমান ও চার জন কনস্টেবল তাকে বেধড়ক মারধর করে।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) মনে করে, পুলিশ হেফাজতে আটক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব পুলিশেরই। ফলে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ক্ষেত্রে পুলিশের জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মানবাধিকার সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নির্যাতিত ব্যক্তির চিকিত্সা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে এমএসএফ। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি
