করোনা প্রাদর্ভাবের কারণে অভিভাবকদের আর্থিক অসহায়ত্ব বিবেচনায় স্কুলের ৬ মাসের টিউশন ফি মওকুফের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ফোরাম। এ নিয়ে গতকাল তারা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। অভিভাবক ফোরামের নেতারা বলেন, করোনার কারণে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফোরামের নেতারা বলেন, সব কিছু স্থবির হয়ে পড়ায় শতকরা ৮০ ভাগ অভিভাবকের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। শহর এলাকায় বসবাসরত অভিভাবকগণ বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুত্ ও পানির বিল পরিশোধ করতে পারছেন না। তাদের সন্তানদের ভরন পোষণে হিমশিম খাচ্ছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক পেশাজীবী অভিভাবক। সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করতে অভিভাবকগণের অধিকতর কষ্ট হওয়ায় অনেক ছাত্র-ছাত্রীর লেখা-পড়া বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।এমন অবস্থায় টিউশন ফি (ছাত্র বেতন) পরিশোধ করা অভিভাবকগণের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব।এমতাবস্থায় দুর্যোগে বিষয়টি বিবেচনা করে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মার্চ থেকে আগষ্ট ২০২০ পর্যন্ত ৬ মাসের টিউশন ফি (ছাত্র বেতন) মওকুফের নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
জবিতে সম্পূরক
শিক্ষাবৃত্তির দাবি
জবি সংবাদদাতা জানান,করোনা প্রাদুর্ভাবজণিত কারণে সৃষ্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া ও শিক্ষাব্যয় সংক্রান্ত সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক উদ্যোগ ও সম্পূরক শিক্ষাবৃত্তির দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন সমূহসহ, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের ১৯ জন শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
