ঝিনাইগাতীতে হাতি তাড়াতে কাজে আসছে না সোলার ফেন্সিং!

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ২১:৩৮

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে হাতি তাড়ানোর জন্য সোলার ফেন্সিং কাজে আসছে না গ্রামবাসীদের। ফলে থেকেই গেল বন্যহাতির তাণ্ডবে গ্রামবাসীদের দুর্দশা। প্রায় দুই যুগ ধরে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি গ্রামবাসীরা বন্যহাতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। উপর্যুপরি বন্যহাতির তাণ্ডবে জানমাল ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। ফলে নিদ্রাহীনভাবে রাত্রী যাপন করছেন পাহাড়ি গ্রামবাসীরা।

বন্যহাতির কবল থেকে পাহাড়ি গ্রামবাসীদের জানমাল রক্ষার্থে ২০১৬ সালে জেলার সীমান্তে হাতি কবলিত পাহাড়ি গ্রামগুলোতে স্থাপন করা হয় সোলার ফেন্সিং (বৈদ্যুতিক তারের বেড়া)। যা দিয়ে হাতি আক্রান্ত হবে, কিন্তু মারা যাবে না। গারো পাহাড়ের ১৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ সোলার ফেন্সিং স্থাপন করা হয়।  গুরুচরণ দুধনই ৪.৫ কিলোমিটার, ছোটো গজনী ৩ কিলোমিটার, বড়ো গজনী-হালচাটি ৩.৫ কিলোমিটার এবং নালিতাবাড়ীর মায়াগাছীতে ২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে স্থাপন করা হয় সোলার ফেন্সিং।

উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেস খকশী ও কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই তা অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে হাতি তাড়ানোর ক্ষেত্রে সোলার ফেন্সিং গ্রামবাসীদের কোনোই কাজে আসছে না।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ইলিছুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, গ্রামবাসীদের অসচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের তদারকির অভাবে সোলার ফেন্সিংটি অকেজো হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, সোলার ফেন্সিং সচল করতে বন বিভাগের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।