কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইংরেজি নতুন বছরকে বরণ করে নিল রাজধানীবাসী। সময়ের ব্যবধানের কারণে বিশ্বের একেক প্রান্তে ইংরেজি নতুন বছরের শুরুর মুহূর্তটি একেক সময়ে উদযাপন করা হয়েছে। মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে। রাত ১২টা এক মিনিটে অনেককেই দেখা যায় আতশবাজি ফোটাতে। অনেকে ঢোল-বাদ্যের ঝঙ্কার তোলেন।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই নেচে-গেয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ইংরেজি নতুন বছর ২০১৯ কে বরণ করে নেয় রাজধানীবাসী। এদিন রাজধানী জুড়ে ছিল পুলিশ ও র্যাবের কড়া নজরদারি। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশের সতর্ক অবস্থান। কোথাও ব্যারিকেড। যান চলাচল বন্ধ রাখা হয় গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা পার্ক এলাকা সন্ধ্যার আগেই ফাঁকা করে দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টার পর পরিচয়পত্র ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ঘেঁষে অবস্থিত হওয়ার কারণে সামোয়া দ্বীপের অধিবাসীরা সবার প্রথমেই নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে। এরপর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড স্বাগত জানিয়েছে ২০১৯ সালকে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আতশবাজি আর নানা আনন্দোত্সবের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছে।
