গম কেনায় অনিয়ম

নাচোলে খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ২২:৩৮

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে গম সংগ্রহ না করে মিল মালিকদের কাছ থেকে গম কেনায় নাচোল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের ছয় জনই খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অন্যজন মিল মালিক। গত বুধবার দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বাদী হয়ে একই কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন, নাচোল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আজহারুল ইসলাম (৫৬), ওসি এলএসডি মো. মনিরুজ্জামান (৩৮), নাচোলের ইসলামপুর এলাকার মেসার্স মিলন অটোরাইস মিলের মালিক শওকত আকবর মিলন (৫০), নাচোল খাদ্যগুদামের সহকারী উপপরিদর্শক মাসুদ রানা (৩৪), নিরাপত্তা প্রহরী নারদ চন্দ্র পাল (৩৭), আবু সাঈদ (৪৬) এবং ইসারুল ইসলাম (৩৬)।দুদক সূত্র জানায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে গম ক্রয় করতে হবে। দুদক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, নাচোল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সরকারি নির্দেশনা অমান্য করছে। জানা গেছে, গত ৩ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি ট্রাকে করে ২৫ মেট্রিক টন গম গুদামে ঢোকান মিল মালিক মিলন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি গুদামে অভিযান চালান। অভিযানে গুদামের ভেতর ট্রাকে থাকা ৫০০ বস্তা গম জব্দ করা হয়। এরপর রাতেই মিলনের রাইস মিল থেকে ‘খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য’  লেখা ৫০ কেজির ২৩১টি চটের বস্তা ভর্তি চাল, ১২২৫টি খালি বস্তা ও অন্যান্য জিনিস জব্দ করা হয়।

মামলার বাদী জানান, খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশেই এই দুর্নীতি হয়ে আসছিল। মিল মালিক মিলন ধান ও গম সরবরাহ করে আসলেও ভুয়া কৃষকের তালিকা লেখা হতো খাদ্যগুদামে।