বাজেটে ইন্টারনেটের ওপর খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সে কেনাকাটায় এবং অনলাইনে ফুড অর্ডার করার ক্ষেত্রে খরচ ধার্য করা হয়েছে। বর্তমান করোনাকালে ঘরে বসে যারা কেনাকাটা করছিলেন তাদের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে উঠবে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান ই-কর্মাস খাত হুমকিতে পড়বে বলে জানিয়েছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব)। গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সেক্রেটারি জেনারেল মোহম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ইন্টারনেট খরচ বাড়লে ই-কমার্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পরবে। সেবার খরচ বাড়বে। করোনা পরিস্থিতিতে এখন বাসায় বসেই অনলাইনে মানুষ কেনাকাটা করছে। মানুষ ঘরে বসে অফিস করছে। ব্যবসা করছে অনলাইনে। পড়াশোনাও হচ্ছে অনলাইনে। তাই ইন্টারনেটের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের জনজীবনের স্বাভাবিকভাবে একটা প্রভাব পরবে। যেহেতু মানুষের আয়ক্ষমতা করোনাকালে কমে গেছে। এ বাস্তবতার কথা বিবেচনায় রেখে ইন্টারনেট শুল্কের মওকুফ চাই আমরা।
