ঠাকুরগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

আপডেট : ১২ জুন ২০২০, ২২:৫০

ঠাকুরগাঁওয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে দুই শিশুকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে এক ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় গত ৫ জুন পীরগঞ্জ থানায় সেনগাঁও ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম, মোতালেব আলীসহ আরো সাত জনকে আসামি করে মামলা হলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেওধা গ্রামের মোতালেব আলী তার প্রতিবেশী গৃহবধূ শরিফা খাতুনকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে গৃহবধূ রাজি না হওয়ায় চুরির অপবাদ দিয়ে গত ২২ মে জহিরুল ইসলাম, মোতালেব আলীসহ আরো সাত জন মিলে গৃহবধূর ছেলে শিশু সুমন ও তার ভাতিজা কমিরুল ইসলামকে আটক করে। এরপর তারা একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। সালিশ বৈঠকে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় ঐ দুই শিশুকে মারপিট করে। ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীরা মারপিটের সেই দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করে। পরে ভিডিও চিত্র গৃহবধূ শরিফা খাতুনকে দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীরা মিলে গৃহবধূকে মারপিট ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে গৃহবধূর বাড়ি থেকে একটি গরু নিয়ে যায় তারা।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, মামলাটি আমরা তদন্ত করছি এবং মামলার আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।