করপোরেট করহারে গার্মেন্টসের ন্যায় সুবিধা চায় এক্সেসরিজ খাত

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২১:২৫

ইত্তেফাক রিপোর্ট 

সরকার গার্মেন্টসসহ কিছু রপ্তানিমুখী খাতের জন্য করপোরেট করহার ১২ শতাংশ আগামী অর্থবছর অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সুবিধা দাবি করেছে গার্মেন্টসের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ তথা এক্সেসরিজ শিল্পখাতও। একই সঙ্গে রপ্তানিকারকদের ন্যায় এক শতাংশ নগদ প্রণোদনা ও রপ্তানির কর বর্তমানের ন্যায় ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিও সংগঠনটির।

বাজেট ঘোষণার পর এ খতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, প্যাকেজিং অ্যান্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, শতভাগ রপ্তানিমুখী হওয়া সত্ত্বেও গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্পখাতটি বরাবরের ন্যায় কাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে। বলা হয়, উত্পাদিত পণ্যের শতভাগই ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে দেশীয় অন্যান্য রপ্তানিকারী খাতে সরবরাহ হয়ে থাকে। জাতীয় রপ্তানিনীতি, বস্ত্রনীতি ও শিল্পনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রপ্তানিকারকদের জন্য সমসুযোগের বিধান নির্ধারিত হলেও এ সেক্টরটি কোনো সময়ই সেই সুবিধা পায়নি। সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কাদের খান বলেন, আমরা বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স অন্যান্য রপ্তানিকারক খাতের ন্যায় ১০ ও ১২ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করলেও ঘোষিত বাজেটে তা সাড়ে ৩২ শতাংশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, পোশাক খাতের উত্পাদিত পণ্যে এ খাতের অংশীদারিত্ব প্রায় ১৮ শতাংশ। পোশাক খাত প্রণোদনার আওতায় নগদ সহায়তা পেলেও এক্সেসরিজ খাত তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের বর্তমান এ ‘দুর্যোগে’ অভ্যন্তরীণ সরবরাহের বিপরীতে এক শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া এবং রপ্তানির কর আগের মতোই ০.২৫ শতাংশ রাখার দাবি জানান তিনি।