দুর্ভাগা রোনালদোয় সন্তুষ্ট সারি

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২১:২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

ইতালিতে ফুটবল ফেরার দিনটা ব্যক্তিগতভাবেই স্মরণীয় করে রাখার সুযোগ থাকলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সেটা কাজে লাগাতে পারেননি। এতে জুভেন্তাসের অবশ্য খুব একটা সমস্যা হয়নি। ইতালিয়ান কাপের সেমিফাইনালে এসি মিলানের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেও আগের লেগে পাওয়া অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে ফাইনালে উঠে গেছে তারা। কোচ মাউরিজিও সারিও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রোনালদোর।

শুক্রবার রাতে নিজেদের মাঠে ১৫ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল জুভেন্তাস। তবে পেনাল্টি থেকে সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন রোনালদো। এর পর মুহূর্তেই মিলান ফরোয়ার্ড আন্তে র্যাবিচ দেখেন লাল কার্ড। তবে জুভেন্তাস এরপরও এর সুযোগ নিতে ব্যর্থ হয় ফলে গোলশূন্য ড্র করেই মাঠ ছাড়ে দলটি। তবে ফেব্রুয়ারিতে প্রথম লেগে মিলানের মাঠে রোনালদোর পেনাল্টি থেকেই পাওয়া ১-১ গোলের ড্র দলটিকে ফাইনালে তুলে দেয়।

ম্যাচের পর রাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে কোচ মাউরিজিও সারি রোনালদোর পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘রোনালদোকে আরেকটু মাঝামাঝি স্থানে খেলানোর কথা বলেছিলাম ম্যাচের আগেই। সে খুশিই হয়েছিল এবং সে প্রয়োজনমতো ভালোই খেলেছে।’

রোনালদোর পেনাল্টি মিসের প্রসঙ্গ উঠতে সারি বলেন, ‘পেনাল্টি মিস করা তার স্বভাবজাত ব্যাপার নয় মোটেও। পোস্টের ভেতরের দিকে বলটা মেরেছিল সে, যা যে কোনো দিকেই যেতে পারত। সে দুর্ভাগা ছিল।’

প্রায় তিন মাস পর মাঠে ফিরেছে ইতালির ফুটবল। ডাগআউটে ফিরতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে সারি বলেন, ‘তিন মাস পর টাচলাইনে ফিরলাম। দলগুলোকে মাঠে দেখার অনুভূতিটা ভালো তবে সমর্থকদের ছাড়া অনুভূতিটা এক নয় মোটেও।’

ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটে বেশ দাপট দেখালেও এরপরই ধীরে ধীরে কর্তৃত্ব হারায় জুভেন্তাস। সারি এতে দর্শকহীনতার দোষই দেখছেন। বললেন, ‘প্রথম ৩০ মিনিটের পারফরম্যান্সে আমি বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম আর সন্তুষ্টও ছিলাম। আমরা বল খুব তাড়াতাড়ি আগে বাড়াচ্ছিলাম, খেলায় আধিপত্য বিস্তার করছিলাম। এরপরই যেন আমাদের গতি, তীব্রতা আর মানসিক দৃঢ়তা কমে গেল। এটাই ফাঁকা স্টেডিয়ামের ঝুঁকি।’

সারি জানালেন লড়াকু মানসিকতা ফেরাতে আরো কিছু সময় প্রয়োজন দলের। তিনি বলেন, ‘ভালো দিকটা হচ্ছে প্রতিপক্ষকে আমরা খেলতেই দেইনি। ফিটনেস আর মানসিকতা ফেরাতে আরো কিছু সময় প্রয়োজন। একে যদি আপনি প্রাক-মৌসুম ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করেন, এটা তার চেয়েও বাজে কিছু। কারণ বিরতিটা আরো বড়ো ছিল।’