শিমুলিয়া ঘাটে লঞ্চে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২২:০৬

করোনা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ায় লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রী পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই গাদাগাদি ভিড় করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে হাজার হাজার যাত্রী। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ৮৭টি লঞ্চ এবং ৪৫০ স্পিডবোটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি এবং শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি রুটে চলাচল করলেও দেখার নেই কেউ। ১৫টি ফেরিতে স্বাভাবিক যান পারাপার চলছে। ঢাকা-শিমুলিয়া রুটে গণপরিবহন চলাচল করছে। ১৪টি পরিবহনের ৩৫০ বাসে হরদম যাত্রী বহন করা হয়েছে। এছাড়া শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি সার্ভিস দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল রুটের দূরপাল্লার বাসগুলোও পারাপার হচ্ছে।

শিমুলিয়ার বিআইডব্লিউটিসি সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও ফেরিগুলো যানবাহন পারাপার করে যাচ্ছে। শনিবার বিকালের দিকে রাজধানীগামী যাত্রীদের চাপ বেশি ছিল। মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রী পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সব চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু এত যাত্রী, সব সময় মানানো যাচ্ছে না। একজন লঞ্চ মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিরাপদ দূরত্ব রাখতে যাত্রী কম বহন করবে বলে বাসগুলোতে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু লঞ্চে আগের ভাড়াই আছে। সে কারণেই আগের মতো যাত্রী বহন করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, লঞ্চগুলোকে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী বহনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কারণ ধারণক্ষমতায় যাত্রী বহনে নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। আবার উঠা-নামার সময়ও গাদাগাদি অবস্থা। এতে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। তবে শিমুলিয়া প্রান্ত থেকে গাদাগাদি করে যাত্রী উঠাতে পারছে না। অনেক সময় খালিও যাচ্ছে। ওপার থেকে ভিড় করে আসছে। ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ এখন বেশি। তিনি বলেন, এর আগে ওপার (কাঁঠালবাড়ি) থেকে আসা গাদাগাদি ভিড় করা ১০টি লঞ্চকে আটক করে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমরা আরো কঠোর হচ্ছি।