বাসের চেয়ে চলাচল বেড়েছে সিএনজি-মোটরসাইকেলে

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২২:০৭

পিনাকি দাসগুপ্ত

রাজধানীতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই গণপরিবহন (বাস) এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। তারা ব্যক্তিগত যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশায় চলাচল করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। ফলে গণপরিবহন (বাস) ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলতে বলা হলেও সার্বিক বাস্তবতায় ২৫ শতাংশও যাত্রী পাচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল্লাহ শাহীন।

পাশাপাশি গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এমনই চিত্র দেখা গেছে। গণপরিবহনে (বাস) চলাচলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় এড়িয়ে চলছেন বলে জানান বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা। পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক পরিবহন নেতা এমন তথ্যই জানিয়েছেন।

তারা জানিয়েছেন, নগরীর কাওরান বাজার জাহাঙ্গীর টাওয়ারের সামনে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অসংখ্য মানুষ। একটা-দুটো সিএনজি অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল আসতেই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন তারা। মতিঝিল এলাকায়ও দেখা যায় একই চিত্র। এখানেও বাসের চেয়ে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরবাইকের চাহিদা বেশি। বাসে বেশির ভাগ আসন ফাঁকা থাকলেও সে ব্যাপারে যাত্রীদের আগ্রহ কম ।

ফার্মগেটে স্বাভাবিক সময়ে বাসে ওঠার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয় যাত্রীদের। সেখানেও নেই সেই চিরচেনা দৃশ্য। একের পর এক বাস আসছে আর অনেকটা ফাঁকা অবস্থায় চলে যাচ্ছে গন্তব্যে। একই চিত্র গাবতলীতে। একাধিক সিএনজি অটোরিকশা চালক জানিয়েছেন, আগের চেয়ে এখন যাত্রীর চাহিদা অনেক বেশি। আয়ও বেড়েছে দ্বিগুণ। একই কথা জানিয়েছেন ভাড়ায় চালিত একাধিক মোটরসাইকেল চালক। তারা বলেছেন, করোনার কারণে মোটরসাইকেলে যাতায়াত বেড়েছে। এখন সারাদিনই যাত্রী পাওয়া যায়। আয়টাও আগের তুলনায় বেড়েছে।