বাজেট নিয়ে বিএনপি গতানুগতিক সমালোচনার বৃত্তে আবর্তিত :কাদের

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২৩:০৩

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, করোনা সংকটকালের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে বিএনপি গতানুগতিক সমালোচনার বৃত্তে আবর্তিত। গতকাল শনিবার সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে মির্জা ফখরুল ইসলাম গঠনমূলক            সমালোচনা করলে সেটা বাস্তবসম্মত হতো। কিন্তু তিনি তা না করে আগেভাগে ঠিক করা, মনগড়া গতানুগতিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের কথা বলেছেন। কিন্তু বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতার কথা বিবেচনায় থাকলে তিনি এত সহজে বলতে পারতেন না। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার সরকার গণমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছে। সংকটকালে মানুষের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উত্তরণের এ বাজেট নিয়ে বিএনপি গতানুগতিক সমালোচনার বৃত্তে আবর্তিত।

তিনি বলেন, গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা ও মনের ভাষা শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন। তাই মানুষের সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের প্রামাণ্য উপস্থাপন এই বাজেট। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, শুধু বাজেটই নয়, সরকারের যেকোনো কাজের সমালোচনাকে বিএনপি ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছে। সমালোচনার জন্য সমালোচনা না করে সরকারের জনহিতকর কাজে এবং বাজেট বাস্তবায়নে আমরা বিএনপিসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি বলেন, করোনা সংকট মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতের পাশাপাশি সব খাতকে করোনা প্রতিরোধে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। করোনা ভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে বাজেটের বাইরে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা রেখেছে সরকার। কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাব নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে নিয়মিত করার সুযোগ দেওয়ায় কিছু গতানুগতিক সমালোচনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যারা সমালোচনা করছেন তারা নির্দিষ্ট কিছু এজেন্ডা সামনে রেখেই আসলে সমালোচনা করেন। অন্যদিকে সরকার বাস্তবতার নিরিখেই জাতীয় অর্থনীতির সুনির্দিষ্ট কতিপয় খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রেখেছে। অর্থনীতির সব খাতে এ সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে দেশের টাকা দেশে বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। অর্থ পাচার বন্ধ হবে। বিনিয়োগের এ সুযোগের পাশাপাশি সরকার দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম আরো জোরদারের প্রত্যয় ঘোষণা করেছে।