দেশের টাকা দেশে রাখতে এবং স্বল্প আয়ের নাগরিকরা যাতে ভাড়ার টাকায় বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারেন—বাজেটে সেজন্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংক কিস্তির সুযোগ সংযুক্ত করা উচিত বলে মত দিয়েছেন রিহ্যাব সদস্য দিদারুল আলম মজুমদার। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে কোম্পানি হলে মৌজা মূল্যের প্রায় ২০ শতাংশ আর ব্যক্তি হলে প্রায় ১০ শতাংশ খরচটি একই করে ১০ শতাংশ এ নিয়ে এসে ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। যাতে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠানের জনবল নিয়ে ভালোভাবে চলতে পারে।
কিছু প্রস্তাবনা দিয়ে দিদারুল আলম বলেন, মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে একজন ব্যক্তির প্রথম রেজিস্ট্রেশন ৫ শতাংশ করা এবং পরবর্তীকালে যত সম্পত্তি কিনবে তখন প্রতিটিতে আরো ৩ শতাংশ করে যুক্ত করা যেতে পারে। এতে অভাবীদের সহযোগিতা এবং ধনীদের টেক্সে সরকারের তহবিল বাড়বে। তার মতে, ব্যাংকের টাওয়ারগুলো বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে স্থানান্তর করে শহরকে হালকা করা এবং বুড়িগঙ্গাকে সুন্দর একটি লেকে রূপান্তরিত করে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলার একটি রূপকল্প বাজেটে থাকা দরকার।
এছাড়া ঢাকার চারদিকে লেক সৃষ্টির মাধ্যমে নৌ-চলাচল সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে যাতায়াত খরচ এবং যানজট কমানোর উদ্যোগ গ্রহণেরও পরিকল্পনা বাজেটে সংযুক্ত করা জরুরি। ঢাকা শহরের মধ্যে কোনো ওয়াটার-অ্যাফেক্টেড এরিয়া না রেখে ঢাকাকে আধুনিকীকরণ ও ঢাকার চারদিকে লেকের বাইরে এগ্রোবেইজড এরিয়া নির্ধারিত করার প্রকল্পও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
যেসব রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ঢাকা শহরের উন্নয়নে কাজ করছেন তাদের প্রকল্পগুলোর খবর নিতে সহযোগিতা একটি সেল গঠনের প্রস্তাব দিয়ে রিহ্যাবের এই সদস্য বলেন, গঠিত সেলটির কাজ হবে রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট (ইউটিলিটিজসহ) সংস্থা যেন শুধু নির্ধারিত খরচে যাবতীয় সহযোগিতা দিতে বাধ্য হয়—সেটি মনিটরিং করা।
