এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে বাছাই করা ৬০৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেসিপের ভোকেশনাল কর্মসূচির আওতায় এনটিআরসি-র মাধ্যমে মোট ১০টি ট্রেডে ৬৭৬ জন ট্রেড ইন্সট্রাক্টরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের বেতনভাতা প্রথমে সেসিপের মাধ্যমে প্রদানের কথা থাকলেও গত ১৬ মার্চ ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের এমপিওভুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু করোনার কারণে ১৬ মার্চ থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হলে অধিকাংশ শিক্ষক এমপিও আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হন। পরবর্তী সময়ে লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হলেও সার্ভার জটিলতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে অসংখ্য শিক্ষক নির্ধারিত এমপিও আবেদন করতে ব্যর্থ হন। করোনাকালে এমন সংকটপূর্ণ অবস্থায় এমপিওভুক্তিতে ব্যর্থ অসংখ্য শিক্ষক ধার-দেনা করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এরিয়াসহ বেতন দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিশেষে, মানবিক দিক বিবেচনায় এইসব শিক্ষকের বকেয়াসহ বেতনভাতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. সোহেল রানা
ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, জাহাঙ্গীরগাঁতী চকসরাপপুর বোয়ালিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ
