‘অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের প্রয়াণে যে শূন্যতা তা পূরণ হওয়ার নয়’

আপডেট : ১৪ জুন ২০২০, ২২:২৩

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্মরণে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান গবেষণা, সাহিত্য, মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও বহুমুখী সামাজিক কর্মধারার মধ্য দিয়ে হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের এক জন দিকনির্দেশক। জাতীয় অধ্যাপক বহুগুণের অধিকারী ছিলেন। যে কোনো জাতীয় সংকটে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রসারণ ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে তার নিরলস প্রয়াস এ দেশের বাঙালি সমাজকে সর্বদা অনুপ্রাণিত করেছে। এই কীর্তিমান চিন্তাবিদকে হারিয়ে এই অঞ্চলে বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান গত ১৪ মে মারা যান। তার স্মরণে তিন পর্বে স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। গতকাল রবিবার অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পর্ব। গতকাল প্রথম পর্বের আলোচনার বিষয় ছিল ‘গবেষণা ও শিক্ষকতা’। এ আলোচনায় বাংলাদেশ ও ভারতের নানা পর্যায়ের বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন। এদের মধ্যে ছিলেন ভাষাবিদ জামিল চৌধুরী, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. পবিত্র সরকার, সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, অধ্যাপক গোলাম মুস্তাফা, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতনের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিশ্বজিত্ রায় ও জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. আহরার আহমদ।

আগামী বুধবার দ্বিতীয় পর্বের আলোচনার বিষয় ‘রাজনৈতিক চেতনা ও বাংলাদেশের গণআন্দোলন’ এবং শনিবার তৃতীয় ও শেষ পর্বের শিরোনাম ‘শিল্প ও সাহিত্যে বিচরণ’। চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে এই সভাগুলো ডিজিটাল মাধ্যম জুম-এ অনুষ্ঠিত হবে। গতকালের প্রথম সভাটি ধারণ করে পরে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া হয়। পরবর্তী স্মরণানুষ্ঠানগুলোও নির্ধারিত দিন সন্ধ্যা ৬টায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ফেসবুক পেজে ও ইউটিউবে সম্প্রচার করা হবে।