মেয়েদের ফুটবলের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচা করা হয়েছিল। তারা সাফল্যও দিয়েছে। দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। দেশে নারী ফুটবলের যে একটা ভবিষ্যত্ আছে সেই সম্ভাবনাও দেখিয়েছে। নারী ফুটবলের নতুন সূর্য দেখানো বর্তমান খেলোয়াড়রা করোনার কারণে ঘরের ভেতরে চলে গেছেন। তাদের ফিটনেস নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। কারণ যেভাবে দিনরাত খেটে ফিটনেস তুলে আনা হয়েছিল এখন আর সেই অবস্থান নেই। তারপরও কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন চেষ্টা করছেন কীভাবে খেলোয়াড়দের তৈরি রাখা যায়। খেলোয়াড়রা এখন নিজ নিজ বাড়িতেই আছেন। নারী ফুটবলাররা বাড়িতে অবস্থান করেও অনুশীলন করছেন বলে জানালেন ছোটন। অনুশীলন না করেও কোনো উপায় নেই। যারা দুই বেলা নিয়ম করে দেশি বিদেশি কোচের অধীনে কঠোর অনুশীলন করে আসছিল তারা হঠাত্ করে নিশ্চুপ হয়ে গেলে সেই ধকল কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে সেটা বুঝতে পারছেন ছোটন। তাই হয়তো প্রতিদিনই কথা বলছেন তার খেলোয়াড়দের সঙ্গে।
ছোটন বললেন, ‘কাজ দেওয়া হচ্ছে। কন্ডিশনিং ক্যাম্প করছে খেলোয়াড়রা। তাদেরকে নিজ নিজ ঘরের ভেতরে জায়গা ফাঁকা করে ফিটনসে ট্রেনিং করানোর ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হচ্ছে।’ ছোটন বললেন, ‘ভিডিওর মাধ্যমে আমরা দেখছি কে কীভাবে কী করছে। রানিং সেশন রয়েছে এর মধ্যে। সবার ওজনও মাপা হচ্ছে।’ সামনে কোনো খেলা আছে কি না তা জানতে চাইলে ছোটন বললেন, ‘জীবন বাঁচে না আবার খেলা। বিশ্ব যেখানে মহামারিতে আক্রান্ত সেখানে খেলার কথা এখনই জোর দিয়ে বলা যাবে না। মেয়েদেরকে বলা হয়েছে আগে নিজের জীবন বাঁচাও। নিরাপদ থাকো। কারণ এই মেয়েগুলো অনেক কষ্ট করে নিজেদের এই অবস্থায় তুলে এনেছে। আমরাও অনেক কষ্ট করেছি। বাফুফে তাদের পেছনে অনেক অর্থ খরচা করেছে। এখন এমন এক সময় যখন জীবন আগে বাঁচাতে হবে।’ তিনি বলেন,‘ খেলা শুরু হবে, আজ হোক কাল হোক। তখন যেন সবাই প্রস্তুত থাকে তার চেষ্টাই করছি আমরা।’
