পুরোদস্তুর ‘ক্যারিবিয়ান’ তিনি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে। যদিও, বার্বাডোজের স্পিডস্টার জোফরা আর্চার বিশ্বকাপ জিতেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। নাগরিক্ত পালটে এখন তিনি পুরোপুরি ‘ইংরেজ’ বনে গেছেন। তাই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল যখন ইংল্যান্ড সফরে গেছে তখন সাবেক সতীর্থদের থেকে কোনোরকম বন্ধুত্বপরায়ণ সম্পর্ক জোফরা যদি আশা করে থাকেন, তাহলে সেটা তার ভুল হবে।
২৫ বছর বয়সি এই পেসারের সঙ্গে সফরকারীদের অনেকেরই ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তবে ক্যারিবিয়ান পেসার কেমার রোচ জানালেন, মাঠের লড়াই চলার সময় কোনো বন্ধুত্ব নয়। তিনি বলেন, ‘জোফরা তার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য দারুণ কাজ করেছে। তবে, এই সিরিজে ওর সঙ্গে কোনো বন্ধুত্ব নেই।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের শেই হোপ, শেমার হোল্ডারের সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে আর্চারের। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সতীর্থ ছিলেন আলজারি জোসেফ, প্রেস্টন ম্যাকসুইন। রোচ জানান, সময়ই বলে দেবে আর্চারের সঙ্গে মাঠে তাদের আচরণ কেমন হবে, আপাতত এ নিয়ে ভাবছেন না তারা।
কেমার রোচ গত বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে খেলেছেন আর্চার। আগামী ৮ জুলাই শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্ট দিয়ে এই সংস্করণে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে খেলবেন প্রথমবার।
সাউথ্যাম্পটন ও ম্যানচেস্টারে ‘জীবাণুমুক্ত পরিবেশে’ হবে তিনটি টেস্ট। থাকবে না কোনো দর্শক। রোচ মনে করেন, স্বাগতিকদের উত্সাহ দিতে মাঠে দর্শক না থাকায় বাড়তি সুবিধা পাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
গত বছর ক্যারিবিয়ানে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল স্বাগতিকরা। রোচ জানান, ইংল্যান্ডে ঐ একই রকমের আক্রমণাত্মক দেখা যাবে তাদের বোলিং, ‘আগের স্মৃতি আমাদের মনে আছে। এবারও আমরা আক্রমণের কোনো কমতি রাখব না।’
