প্রবৃদ্ধি নয়, ভাবতে হবে সুরক্ষা নিয়ে

আপডেট : ১৫ জুন ২০২০, ২১:২৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান মনে করেন বাজেট প্রস্তাবে উল্লিখিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তা অপ্রয়োজনীয়। বরং কীভাবে মানুষের জীবন বাঁচানো যায় সেটাই এখন মূল ভাবনা হওয়া উচিত্। গতকাল সোমবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত বাজেট পর্যালোচনা ওয়েবিনারে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন- করোনা সংকটের প্রেক্ষাপটে যতটা ‘আউট অব দ্যা বক্স’ বাজেট অনেকে আশা করেছিলেন তা হয়তো হয়নি। তবে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে যথেষ্ট সতর্কতা বজায় রেখে যথার্থ বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। উন্নয়ন সমন্বয়ের এমেরিটাস ফেলো খন্দকার সাখাওয়াত আলীর সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরিন, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এনামুুল হক এবং বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. এস এম জুলফিকার আলী।

প্রস্তাবিত বাজেটে বহুলাংশে করোনা পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মত দেন প্যানেল আলোচকরা। তবে অনেক খাতে ব্যয় কমিয়ে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ালে করোনার প্রভাব কাটিয়ে ওঠা আরো সহজ হতো বলে তারা মনে করেন। ড. জুলফিকার বলেন, করোনার ফলে যারা নতুন করে দরিদ্র হবেন এমন নাগরিকদের জন্য নতুন ধরনের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রস্তাবিত বাজেটে থাকার সুযোগ ছিল। অধ্যাপক ড. এ কে এনামুুল হক বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়লেও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। ড. মাহবুবা নাসরিন মনে করেন বরাবরের মতো শিক্ষা খাত বরাদ্দে অগ্রাধিকার পেলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থার সকল স্তরের অংশীজনদের নিয়ে কাজ করতে হবে।