এই করোনাকালে মধ্য-নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। পরিবারের ভরণপোষণ, বাসাভাড়া মেটাতে যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে আবার শুরু হলো বিদ্যুত্ বিলের হয়রানি। গত ১১-৬-২০২০ তারিখে নরসিংদী জেলা সদরের জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা গেল শতাধিক মানুষ বিদ্যুিবলের কাগজে সংশোধনীর আশায় দাঁড়িয়ে আছেন। অনেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে গালাগাল করতে করতে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অধিকাংশ গ্রাহক যাঁরা আগের মাসে বকেয়া বিল পরিশোধ করে দিয়েছেন, তাঁদের চলতি মাসের বিলের কাগজে পুনরায় সেই বকেয়া বিল যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। অনেকের অভিযোগ—গত দু মাস তাঁদের মিটার বন্ধ ছিল, ভাড়াটে বাসা ছেড়ে গেছে, অথচ সেখানে মিটার খোলার পর ইউনিট দেখাচ্ছে। অনেকের আগের মাসের তুলনায় বহুগুণ বেশি বিল এসেছে। ৫৬৯৩২ নং মিটারে গত মার্চ-এপ্রিল দু মাসে ৪৫ ইউনিট বিল এসেছিল। অন্যান্য মাসেও গড়ে ২০/২৫ ইউনিট বিদ্যুত্ খরচ হয়। এ মাসে অদ্ভুতভাবে সেটা ১৯০ ইউনিটে গিয়ে দাঁড়িয়েছে! প্রশ্ন হলো, গড় বিল হলে এ পাহাড়সম বিদ্যুিবল কোত্থেকে আসে? এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
মাসউদ বিন আতহার, চিনিশপুর, নরসিংদী
