চীনে আবারো নতুন করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এবার প্যাকেজিং করা স্যামন মাছকে করোনার বাহক বলা হচ্ছে।
চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জানিয়েছে, প্যাকেজিং-এ ভাইরাস প্রায় তিন মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
এর আগে চীনের উহানে যে বাজারে বন্যপ্রাণীর মাংস বিক্রি হয় সেখান থেকেই করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়ায়। সে সময় বলা হয়, বাদুড়ের মাধ্যমে মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমণ হয়।
এদিকে গত রবিবার চীনে নতুন করে ৫৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সোমবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৪৯ জন। বেইজিংয়ে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই।
অথচ চীন নিজেদের দেশকে করোনা ভাইরাস মুক্ত ঘোষণা করে সকল লকডাইন তুলে দিয়েছিলো। দ্বিতীয় দফায় ভাইরাস ছড়ানোয় আবার নতুন করে কোথাও কোথায় লকডাইন দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, স্যামন মাছের প্যাকেজিং থেকেই করোনার সংক্রমণ ঘটেছে। তবে এটা প্রাথমিক কারণ বলে ধরা হচ্ছে।
চীনের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, বেইজিংয়ের জিন ফাদি বাজার থেকেই নতুন করে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই বাজারে প্রচুর পরিমাণে স্যামন মাছ কাটা হয়। বাজারের একটি চপিং বোর্ডে ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
এমনকি গত কয়েকদিনে আক্রান্ত হওয়া বহু মানুষ ওই বাজারে গিয়েছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। জিন ফাদি বাজার বেইজিংয়ের অন্যতম বড় সুপারমার্কেট।
আপাতত সেটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া গোটা চীনের স্যামন মাছের কেনাবেচাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানাচ্ছে, দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণের বাহক হিসেবে স্যামন মাছকে ধরা হচ্ছে। আপাতত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাজার বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্যামন মাছ বিক্রি ও খাওয়া বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন বাইরে থেকে আসা যে কোনও সামুদ্রিক মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। কারণ প্যাকেজিং এর মাধ্যমে নতুন করে ভাইরাস সংক্রমণ হচ্ছে।। সূত্র: জিনিউজ
ইত্তেফাক/জেডএইচ
