বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজ

আগস্টে শ্রীলঙ্কা যাবে বাংলাদেশ দল!

আপডেট : ১৬ জুন ২০২০, ২০:৪৯

বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এটুকু এখন স্পষ্ট নির্ধারিত সময় তথা জুলাইয়ে তিন টেস্টের বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজ হচ্ছে না। মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাস সিরিজের আকাশে অন্ধকার নামিয়ে এনেছে। তবে এখনো সিরিজটি বাতিল করা হয়নি। তাই নানামুখী আলোচনা চলছে।

কিছুদিন আগে জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আলাপ করেছে বিসিবি। যেখানে জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফর না করার ব্যাপারে সবাই সম্মত হয়েছে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে কলম্বো, গল, ক্যান্ডিতে তিন টেস্ট খেলার কথা বাংলাদেশ দলের।

লঙ্কান বোর্ড চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অন্তত সেপ্টেম্বরে হলেও সিরিজটা আয়োজন করতে। সেই চিন্তায় নতুন করে বাধার দেয়াল তৈরি করছে এশিয়া কাপ। কারণ সেপ্টেম্বরেই শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে পারে উপমহাদেশের বিশ্বকাপ খ্যাত এ টুর্নামেন্ট।

বিসিবি সূত্র জানাচ্ছে, আগস্টে মুমিনুল-তামিমদের শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা উঠেছে। এ ধরনের আলোচনাও হয়েছে বিসিবিতে। কিন্তু কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

আগস্টে বাংলাদেশকে আতিথ্য দিতে তৈরি লঙ্কানরা। তবে যেহেতু বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেশি সেক্ষেত্রে কলম্বো পৌঁছে টাইগারদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময়টা বড়ো হতে পারে। ১৪ থেকে ২১ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হতে পারে টাইগারদের।

আগস্টে বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল নির্বাচক প্যানেলের এক সদস্য জানান, আমরা এ ব্যাপারে শুনেছি। কিছুই চূড়ান্ত করা হয়নি। সফরটা এখনো বাতিল করা হয়নি। আমরা ইতিমধ্যে ৩৭ সদস্যের দল তৈরি করেছি। যখনই আমাদেরকে বলা হবে তখনই আমরা দলটা ছোটো করে দেব।

করোনার ধাক্কা অতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারছে না বাংলাদেশ। সারা দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। সাধারণ ছুটি শেষে গোটা দেশ সচল হলেও ক্রিকেটাঙ্গন স্থবির হয়ে আছে। কবে ক্রিকেট শুরু হবে তাও কারো জানা নেই। এবং করোনার প্রভাব আরো অন্তত এক বছর বিরাজ করবে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে হলে এখন বিদেশের মাটিই নিরাপদ। করোনা পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কায় বেশ ভালো। দলটি অনুশীলনও শুরু করেছে।

নির্বাচক প্যানেলের সদস্য বলেন, ‘বর্তমান অবস্থায় যদি আমরা ক্রিকেট শুরু করতে চাই, তাহলে শ্রীলঙ্কা আদর্শ জায়গা। যদি ওখানে দল পাঠানো হয় তাহলে আমাদের কাজ হবে ২০ ক্রিকেটারকে প্রস্তুত করা। দেশে খেলতে গেলে হোটেল, যাতায়াত, ভেন্যু, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে কত কিছু সম্পৃক্ত হবে। যেটা এখন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’