আইসিসি একটু সম্মান দিয়ে প্রথম রাউন্ড, প্রথম পর্ব বলে থাকে। মূল টুর্নামেন্টটা যেহেতু পরের পর্ব থেকেই শুরু হয়, সেক্ষেত্রে এই প্রথম রাউন্ডকে বাছাই পর্ব বললে ভুল হবে না। ২০১৬ সালের মতোই ২০২০ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও প্রথম রাউন্ড খেলতে হবে বাংলাদেশকে। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, প্রথম রাউন্ডটা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসী মূল পর্বে খেলতে পারবেন।
একই সঙ্গে ৫ জানুয়ারি শুরু হতে চলা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর থেকেই ২০২০ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক।
অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মতোই শ্রীলঙ্কাও খেলবে প্রথম পর্বে। যদিও র্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকা আফগানিস্তান সরাসরি মূল পর্বে খেলবে। প্রথম পর্বে খেলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু গতকাল বলেছেন, ‘এটি তো অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। তবে একদিক থেকে ভালো যে আপনি আগে থেকে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারবেন এই ফরম্যাটে। আমার বিশ্বাস যে আমরা কোয়ালিফাইং খেললেও আত্মবিশ্বাসী যে বিশ্বকাপে খেলবো।’
এবার বিপিএল দিয়েই বিশ্বকাপের পরিকল্পনা শুরু হবে। নজর থাকবে ক্রিকেটারদের প্রতি। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য আদর্শ নতুন প্রতিভার সন্ধানও করবেন নির্বাচকরা। গতকাল বিসিবি একাডেমি মাঠে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, ‘যেহেতু বিশ্বকাপ আছে সামনে সুতরাং আমার কাছে মনে হয় ক্রিকেটারদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ এবং পারফরম্যান্সই গণ্য করতে হবে। আমাদের নতুন বছরটি বিপিএল দিয়ে ভালোভাবে শুরু হোক। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এখানে দেখা হবে। কারণ ২০২০ এ কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। সুতরাং সেই হিসেবে এই বিপিএল থেকেই কিন্তু পরিকল্পনা শুরু হবে। তাই এই বিপিএলটিতে খুব ভালোভাবেই নজর দেয়া হবে।’ বিপিএল দেখতে আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসার কথা বাংলাদেশের হেড কোচ স্টিভ রোডসের।
ইনজুরি কাটিয়ে বিসিএলে খেলেছেন তাসকিন আহমেদ। বিপিএলে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলবেন ডানহাতি এই পেসার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছয়মাস নিষিদ্ধ হওয়া সাব্বির রহমানও একই দলের হয়ে খেলবেন। সাব্বিরের প্রতি প্রধান নির্বাচকের পরামর্শ- আগে শৃঙ্খলার দিকে নজর দাও। জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক গতকাল বলেছেন, ‘অনেকদিন পর তাসকিন ফিরে এসেছে। কারণ সে ইনজুরি নিয়ে লড়াই করছিলো। সাব্বির রহমান নিষেধাজ্ঞা থেকে বেরিয়ে আসছে। তার খেলার থেকে বেশি নজর দিতে হবে নিজের প্রতি। ওর শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে, এই দিকটিও মনিটরিং করতে হবে।’
প্রধান নির্বাচকের কথায় স্পষ্ট ফেব্রুয়ারিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কেটে গেলেও সাব্বিরকে থাকতে হবে আতশী কাচের নিচে। যেখানে বিসিবি থেকে শুরু করে নির্বাচকসহ সবাই দেখবেন আদৌ কতটা নিজেকে বদলাতে পেরেছেন সাব্বির।
