মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক ফিসক্যাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্টে বলা হয়েছে—বাংলাদেশে স্বচ্ছভাবে বাজেট প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। বাজেটের তথ্যগুলো সাধারণভাবে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলেও আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত মান অনুযায়ী সেগুলো প্রস্তুত করা হয়নি। সোমবার প্রকাশ করা ঐ রিপোর্টে বাংলাদেশ অংশের শুরুতেই বলা হয়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের পর থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট যথাযথভাবে আপডেট করা হচ্ছে না। যার ফলে বাজেট বাস্তবায়নের আসল চিত্র মানুষের কাছে সহজে পৌঁছাতে পারছে না।
প্রাকৃতিক সম্পদের আয়সহ সরকারের পরিকল্পিত ব্যয় এবং রাজস্ব খাতগুলোর সম্পূর্ণ চিত্র স্পষ্টভাবে বাজেটের নথিতে তুলে ধরা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাগুলোর বরাদ্দ এবং আয় বিষয়ে জাতীয় বাজেটের নথিতে বিশদ অন্তর্ভুক্ত করার পরেও সংস্থাগুলোর নিজস্ব বাজেটে অর্থায়ন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কারণ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাগুলো আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করছে না।
