বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞায় বেকার জেলেরা

আপডেট : ১৮ জুন ২০২০, ২১:৪৪

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় দক্ষিণাঞ্চলে হাজার হাজার জেলে বেকার হয়ে অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। ইলিশের জালে অন্য কোনো মাছ ধরা পড়ে না। বর্তমানে ইলিশের ভরা মওসুম। এ সময় মত্স্য ঘাটসমূহে মাছ কেনাবেচায় সরগরম থাকার কথা সেখানে এখন চলছে সুনসান নীরবতা। ঘাটে সারি সারি ফিশিংবোট নোঙর করে বাঁধা। হাজার হাজার জেলে বেকার হয়ে অর্থকষ্টে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক জেলে পরিবারে দুই বেলা রান্নাবান্না হয় না বলে তিনি জানান।  দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানুর রহমান শামিম বলেন, সাগরে মাছ ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞার অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে দেশীয় গরিব জেলেরা মাছ ধরতে পারবে না কিন্তু ভারতীয় জেলেরা আমাদের সাগর থেকে ঠিকই মাছ ধরে নিয়ে যাবে। পাথরঘাটার জেলে মিজানুর রহমান পিন্টু বলেন, আমরা জেলেরা এখন অনেক কষ্টে আছি। ইলিশ আহরণের মৌসুম হিসেবে ১৫ বৈশাখ থেকেই জেলেদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় বঙ্গোপসাগরে। কিন্তু  তাদের সেই যাত্রা এখন শঙ্কায় পরিণত হয়েছে। এখন সাগরে মাছ ধরতে না পেরে দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার জেলে বেকার হয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। শরণখোলা উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, মত্স্য প্রজনন বৃদ্ধির জন্য সাগরে সরকার মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিলেও জেলেদের  খাদ্য সহায়তার চাল বিতরণ শুরু করা হয়েছে।