কেমন হলো এবারের বাজেট?

আপডেট : ১৮ জুন ২০২০, ২২:০১

করোনাকালে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছে সরকার। কেমন হলো এবারের বাজেট?

এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো

গত এক দশক ধরে বাজেটের আকার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির যে প্রবণতা আমরা দেখে এসেছি, করোনা পরিস্থিতিতেও তা অব্যাহত থাকতে দেখলাম। আমরা চাইব বাজেট, বরাদ্দ, লক্ষ্যমাত্রা যা-ই হোক, সুশাসনে যেন বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া না হয়। উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সূচক সত্ত্বেও অতীতে অর্থনৈতিক সুশাসন নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। করোনা পরিস্থিতিতেও যদি তা অব্যাহত থাকে, তার জের হবে দ্বিগুণ। আমি মনে করি, বর্তমান বাজেট যদি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, প্রবৃদ্ধি বা রাজস্বও লক্ষ্যমাত্রায় খানিকটা ছাড় দিয়েও সুষ্ঠুভাবে করোনাকাল পাড়ি দেওয়া সম্ভব।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

করোনার মধ্যে বাজেট প্রণয়ন শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই কষ্টকর এবং ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছে কি না—এটা বলার সময় এখনো আসিনি। তবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এই বাজেট মানুষের জন্য। মানুষ না থাকলে বাজেটের কী মূল্য? এ কারণে স্বাস্থ্য খাতে আগের চেয়ে বহু গুণ বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে মাস্ক নিয়ে যে বিতর্ক ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, তার কোনো সুরাহা হয়নি। করোনা কত দিন থাকবে—এটা যেমন বাংলাদেশ সরকার বলতে পারছে না, তেমনি বিশ্বে কোনো সরকারই বলতে পারছে না। এর মধ্যেই আমাদের জীবনযাপন চালিয়ে যেতে হবে। বাজেটে বেকারদের জন্য নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। বাংলাদেশে প্রায় ৩ কোটি শিক্ষিত বেকার রয়েছে। তারা এজন্য দারুণভাবে মর্মাহত। সংশোধিত এই বাজেটে বেকারদের জন্য কিছু করা যায় কি না, তা ভেবে দেখার জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানাই।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

জাতীয় সংসদে আমাদের অভিজ্ঞ অর্থমন্ত্রী ২০২০-২১ইং বাজেট পেশ করেছেন। ৪৯তম জনকল্যাণমুখী এই বাজেট পেশ করায় সরকারকে অভিনন্দন জানাই। বিএনপি যতই সমালোচনা করুক না কেন, জনকল্যাণে তারা কোনো ভালো বাজেট উপহার দিতে পারেনি।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

এবারের বাজেট আগের সময়ের মতো গতানুগতিক হয়েছে। তেমন প্রার্থক্য নেই। বাজেট নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেছেন যে, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেই বা কী উন্নতি হতো? আগে তো দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আমাদের দেশের প্রায় সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এসব দুর্নীতি বন্ধ না করলে সুন্দর সুন্দর অন্ধের বাজেট ফল দেবে না। এবারের বাজেট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কয়েকজন গভর্নরের মতামত পড়েছি। সব সময় তারা প্রচণ্ড চাটুকারিতায় লিপ্ত থেকেছেন।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা, গুলশান, ঢাকা

এবারের বাজেটকে উচ্চাভিলাষী মনে হয়নি। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করাই হবে সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। তবে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ নিয়ে আমাদের অসন্তোষ রয়েছে। স্বাস্থ্য খাত এমনিতেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। করোনা ভাইরাস মহামারি জনজীবনকে থমকে দিয়েছে, সেখানে এই খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকার যে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে তা আরো বেশি হওয়া দরকার ছিল বলে মনে করি। স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বাড়লেই কী হবে? মহামারির মধ্যে তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি চিকিত্সাব্যবস্থার কী বেহাল অবস্থা! হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে রাস্তায় মানুষ মারা যাচ্ছে। এর আগের বাজেটও দুর্নীতির কারণে তার সঠিক বাস্তবায়ন হয়নি।

অমিত বণিক,

উত্তরা, ঢাকা

দেশের উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও কৃষি খাতের উন্নয়ন খুব জরুরি। কৃষি খাতে উন্নয়নের জন্য কৃষিঋণ বৃদ্ধি করা, গবাদিপশু পালন ও মত্স্য চাষে কৃষকদের বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ প্রকল্পে একজন কৃষককে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া দরকার। এছাড়া শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়াতে হবে। উচ্চশিক্ষা নিতে বিদেশগামী শিক্ষার্থীদেরও সরকার ঋণ দিতে পারে। কমপক্ষে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হলে আরো অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আগ্রহী হবে। শুধু এ দুটি খাতে ঋণ বরাদ্দ বাড়ালে দেশের সার্বিক উন্নয়নে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটবে।

নজরুল ইসলাম খান

৫৪, নতুন জুরাইন, ঢাকা

ব্যাংক ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক অবস্থায় আছে। সরকারঘোষিত প্রণোদনা সহায়তা প্যাকেট বাস্তবায়নের দায়িত্বও পড়েছে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর। পাহাড়সম মন্দঋণ, একক সুদের হার বাস্তবায়নের ধাক্কা এবং কোভিড-১৯-এর প্রভাবে ব্যাংক ব্যবস্থা বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে কয়েকটি ব্যাংক কর্মীদের বেতন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে এবং বাজেট ঘাটতির অর্থ ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার গ্রহণ করলে বেসরকারি ঋণ প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে আমদানি, রপ্তানি, কর্মসংস্থান, সম্পূরক শুল্ক আদায়সহ নানা খাতে। কারণ সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি জড়িত এবং একটির অবনতি হলে আরেকটি প্রভাবিত হয়। এর প্রভাবে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি।

মো. জিল্লুর রহমান

ব্যাংকার ও লেখক, সতিশ সরকার রোড,

গেন্ডারিয়া, ঢাকা

বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। পাশাপাশি কৃষি খাত, খাদ্য উত্পাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং কর্মসংস্থানকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিগত অর্থবছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি এই বাজেট সময়োপযোগী এবং বিচক্ষণ একটি বাজেট হয়েছে।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

বর্তমান অর্থমন্ত্রীর দ্বিতীয় বাজেট এটি। এবারের বাজেটের সবচেয়ে বড়ো বিষয় হচ্ছে— নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমেছে। চাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ইত্যাদি সহনীয় পর্যায়ে সরবরাহের ক্ষেত্রে উত্স কর ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনী খাতে বিশেষ নজর দিয়েছে সরকার।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। ১৬ মার্চ হতে বর্তমান পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি স্কুল কলেজগুলো অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছে। একদিকে স্কুলের বেতন, অন্যদিকে অনলাইনে খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এটাকে বিবেচনা করে করোনাকালে প্রস্তাবিত বাজেটে টাকা করে একজিবি ইন্টারনেট করা হোক এবং এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সমস্ত বেতন মওকুফ করা হোক। শিশুদের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হোক।

ডা. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

এবারের অর্থবছরের ২০২০-২১ বাজেট মন্দ হয়নি। এতে রয়েছে বহুমুমী সুযোগ-সুবিধার বাজেট। তার মধ্যে ব্যবসায়ীদের জন্য দেওয়া হয়েছে নানা রকম ছাড়। মধ্যবিত্তরা পেয়েছে কিছুটা স্বস্তি। আর নিম্ন আয় বা প্রান্তিক মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাত বাড়ানো হয়েছে। করপোরেট কর কমানো হয়েছে।

শিশির

আজিমপুর, ঢাকা

বাজেট তো প্রতি বছর পেশ হয়, কিন্তু এবার ৫২ মিনিটে বাজেট পেশ হয়। বাজেট যখন বাস্তবায়িত হবে তখনই বলা যাবে কেমন বাজেট! তার আগে না।

ফাহাদ।

যশোর সদর, যশোর।

করোনায় ঝুঁকিতে পড়া মানুষকে বাঁচানোর জন্য এই বাজেট। তাই বাজেটের এমন অভিমুখই প্রত্যাশা করি। এবারের বাজেট যে পরিস্থিতিতে প্রণয়ন ও ঘোষণা করতে হয়েছে, স্বাধীনতার পর এমন পরিস্থিতি কখনো হয়নি বলেই মনে হয়। যেমন বৈশ্বিক, তেমনি অভ্যন্তরীণ প্রায় সব খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির! এই বাজেট উদ্দীপকের ভূমিকা পালন করবে বলেই প্রত্যাশা। আমরা দেখেছি, এবারের বাজেটেও সবাইকে তুষ্ট করার প্রবণতা স্পষ্ট। আয়কর সীমা বাড়িয়ে দেওয়া, কালোটাকা সাদা করার পরিসর বৃদ্ধি, নতুন কর আরোপ না করা—এসবের মধ্য দিয়ে সমাজের উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতের আওতা ও বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও নিম্নবিত্তদের জন্য ইতিবাচক বার্তাই দেয়। কৃষিতে ভর্তুকি বর্তমান সরকার টানা তিন মেয়াদের প্রথম থেকেই দিয়ে আসছে। করোনা পরিস্থিতিতে তাতে আরো জোর দেওয়া সংগত হয়েছে।

বিলকিছ আক্তার

শিক্ষার্থী, সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির প্রস্তাবিত বিশাল বাজেট বাস্তবায়ন এক কথায় অসম্ভব। নির্ধারিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রাও আকাশচুম্বী। স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ প্রদান করা হলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে সকল পর্যায়ের লাগামহীন দুর্নীতি রোধ করে অর্থের যথাযথ ব্যয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে প্রত্যাশিত সুফল মিলবে না। আর কালোটাকা অবাধে সাদা করার সুযোগ প্রকারান্তরে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া। অন্যদিকে বেকারত্ব হ্রাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুস্পষ্ট বক্তব্য না আসা এবং ঋণনির্ভর বাজেটের ফলে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দুই-ই বাজেটের দুর্বলতা।

আবু ফারুক

সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান।

নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিত্সা সামগ্রীর বাজার মূল্য কমিয়ে আনতে ভ্যাট ও শুল্কের পরিমান ২/৩ শতাংশ হূাস করা হয়েছে। পেঁয়াজের আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। দেশি পেঁয়াজের উত্পাদন ব্যাহত হলে ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা হারাবে।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল, গাজীপুর।

করোনার তাণ্ডবে মানুষের জীবন ও অর্থনীতির শ্বাস রক্ষার্থে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন অনেকটাই দুঃসাধ্য। প্রথমত, রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, চলমান বিপর্যয়ের অনিশ্চিত সময়সীমা। ব্যাংক ঋণের নির্ভরতা বাড়লে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দুইই কমে যাবে। আবার বর্তমান সময়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্য স্বাস্থ্য খাত ও সামাজিক নিরাপত্তা খাত এবং কৃষিতে বরাদ্দ অপ্রতুল বলে মনেকরি। এডিপিতে বরাদ্দ কমিয়ে অগ্রাধিকারযোগ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো যেত। মোবাইল কল রেট ও ইন্টারনেটের ওপর কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬ ডি.টি. রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম।

প্রস্তাবিত বাজেটে স্পষ্টতই আয় ও ব্যয়ের সঙ্গতি নেই। করোনার প্রভাবে জাতীয় ও  বিশ্ব অর্থনীতি দুটোই পঙ্গু। এবার বিদেশি সাহায্য আশা করা নিরর্থক। আর রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে গেলেও সরকারকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে। তাই অস্বাভাবিক মাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ অনেকটা ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতো। করোনা আমাদের স্বাস্থ্যখাতের চরম অনিয়ম-দুর্নীতি প্রকাশ পেয়েছে। তাই জনস্বাস্থ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দুর্নীতি মুক্ত করে এই খাতে আরো বেশি বরাদ্দ প্রয়োজন। কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা, শিল্প, শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ যাবতীয় খাতের বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারকে কঠোর হতে হবে। দরিদ্র্যতা কমাতে বর্তমান বিপর্যয়ে কর্মহীন হওয়া মানুষদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ সময়ের দাবি।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

ধ্রুবনীল এন্টারপ্রাইজ বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।

করোনার কারণে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিচ্ছে সবখানেই। মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেটকে মানবিক আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘‘এবারের বাজেটে মানুষকে প্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, মানুষকেই গুরুত্ব দিয়ে বাজেট দেওয়া হয়েছে। মানুষ না থাকলে বাজেট কার জন্য? করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে বাঁচাতেই হবে।” তাই ২০২০-২১ ইং নতুন বছরের প্রস্তাবিত বাজেটটি যেন প্রকৃত জনবান্ধব হয় সে জন্য সবার চেষ্টা সাধনা কাম্য।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।