লকডাউন নিয়ে সমন্বয়হীনতা

বসুন্ধরা এলাকায় রাতে লকডাউন সকালে দুঃখ প্রকাশ

আপডেট : ১৯ জুন ২০২০, ০০:২৯

রাজধানীর রেড জোনের অন্তর্ভুক্ত ৪৫টি এলাকা লকডউন করা নিয়ে হযবরল অবস্থা কাটছে না। সিটি করপোরেশন বলছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে না দিলে লকডাউন সম্ভব নয়। অন্যদিকে এরই মধ্যে গত বুধবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা লকডাউন ঘোষণা করে মাইকিং করা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল না হতেই এটিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে দুঃখ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি দেয় সিটি করপোরেশন। এদিকে গতকাল মাইকিং করার সময় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে এলাকায় লকডাউন কার্যকর হবে জানিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহের কথা বলা হয়। এতে হয়রানির শিকার হয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা লকডাউন প্রসঙ্গে ডিএনসিসির জনসংযোগ দপ্তর থেকে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা লকডাউনের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে, ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার কোন অংশ রেড জোনের আওতায় তার বিস্তারিত ম্যাপিং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানোর পরেই লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্টভাবে এখনো তা জানানো হয়নি। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এলাকা লকডাউন করা হলে তা বাস্তবায়ন করার জন্য যেসব পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন সেজন্য বুধবার একটি সভা করেন ডিএনসিসির ৪০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী। এসময় অতি উত্সাহী কেউ কেউ মাইকে লকডাউনের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে ভাটারা থানার ওসি মোক্তার হোসেন বলেন, মেয়র কাউন্সিলরকে বলেছেন, লকডাউন হচ্ছে না। তাই সেটি বাতিল করা হয়েছে।