সরকারের অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণ বেসরকারি খাতকে বাধাগ্রস্ত করবে

আপডেট : ১৯ জুন ২০২০, ০০:৩০

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে। সরকার ব্যাংক খাত থেকে এত বেশি পরিমাণ ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রাপ্তির সুযোগ সংকুচিত হবে। সে ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ তথা কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন এ খাতের প্রতিনিধিরা। গতকাল শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন এমসিসিআই ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় তারা এ কথা বলেন। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর অনলাইনভিত্তিক ওই আলোচনা সভায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ ও সরকারের নীতি নির্ধারকরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভা পরিচালনা করেন এমসিসিআইয়ের সভাপতি ব্যরিস্টার নিহাদ কবীর।

ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু ইস্যুর সঙ্গে একমত পোষণ করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্প উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানও। সালমান এফ রহমান বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে (করোনা পরবর্তী) বেসরকারি খাতকে নেতৃত্ব দিতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতির প্রত্যাশিত উন্নতি হবে না। ব্যাংক কঠিন চাপে রয়েছে।’ এ সময় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে লকডাউন সমাধান দেবে না বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, ডিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম, আবুল কাশেম খান প্রমুখ। সভায় আলাদা দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের গবেষণা পরিচালক ড. এম এ রাজ্জাক ও এমসিসিআইয়ের পরিচালক আদিব এইচ খান।