আর্চারিতে বাংলাদেশের রোমানা সানা যোগ্যতার বিচারেই টোকিও অলিম্পিকে খেলার জায়গা করে নিয়েছেন। এখন অলিম্পিক আসরটি পিছিয়ে যাওয়ায় টিম ইভেন্টেও জায়গা পেতে চেষ্টা চালাচ্ছে আর্চারি ফেডারেশন। গলফার সিদ্দিকুর রহমান যোগ্যতার বিচারে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেটি ছিল ২০১৬র রিও অলিম্পিক গেমসে। এবার দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে রোমানা সানা যাবেন অলিম্পিকে। ব্যক্তিগত ইভেন্টে রোমানা সানা ঢুকলেও টিম ইভেন্টের সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।
তাই আর্চারি ফেডারেশন আরেকটি সুযোগ নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আর্চারি ফেডারেশনের নিশানা, কীভাবে টোকিও অলিম্পিকের টিমস ইভেন্টেও খেলা যায়। সেই সুযোগ এখনো রয়ে গেছে বলেই জানিয়েছে ফেডারেশন। টিম ইভেন্টে বাংলাদেশকে যারা নিশ্চিতভাবে টপকে যাবে তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্র, কোরিয়ার মতো দেশ। এরপরও বাংলাদেশের সুযোগ আছে এই কারণে যে, শীর্ষ দেশগুলো আগেই যোগ্যতা অর্জন করে রাখে। এমনটা হলে তখন তাদের পেছনের দেশগুলো অলিম্পিকের জন্য সুযোগ পায়।
আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল তাই আশার আলো দেখছেন। তিনি বলেন, ‘নামিদামি দেশগুলো আগেই অলিম্পিক নিশ্চিত করে ফেলে। তারপরও তারা বিভিন্ন কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড খেলে। আমরা যদি নামিদামি দেশগুলোর পেছনেও থাকি অলিম্পিকে যাওয়ার সুযোগ হয়ে যাবে। এমনকি ছয়, সাত কিংবা আট নম্বরে থাকলেও চান্স আছে। আমি এই সুযোগ হাতছাড়া করব কেন?’ এ প্রসঙ্গে চপল যোগ করলেন, ‘আমি ভাই করোনার ব্যাপারে নেগেটিভ। বাকি যা আছে সব ব্যাপারে পজিটিভ।’
অলিম্পিক গেমস এ বছরই হওয়ার কথা ছিল। করোনা মহামারির কারণে সেটি আগামী বছরের ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে টিম ইভেন্টের বাছাই হবে আগামী বছর জুনে ফ্রান্সে। চপল জানালেন, এটি ওয়ার্ল্ডকাপ কোয়ালিফাইং রাউন্ড। এখান থেকে টোকিও অলিম্পিক গেমস আর্চারির টিম ইভেন্টের দলও নির্ধারণ হবে।
করোনার কারণে টোকিও অলিম্পিক গেমসের প্রস্তুতি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন সেটি পুনরায় শুরু হয়েছে। আর্চারদের অনুশীলনের সামগ্রী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের বাসায়। বাসায় যদিও ঠিক সেভাবে অনুশীলন হয় না। তারপরও আর্চারদের সম্পৃক্ত রাখার জন্য এমনটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্চারির এই কর্মকর্তা। জানা গেছে, ফেডারেশন ১৫ জুলাই হতে ক্যাম্পে অনুশীলন করাতে চায়। তবে করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে পুরো বিষয়টি।
