চলতি বছরই করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হবে

আপডেট : ১৯ জুন ২০২০, ২১:২০

চলতি বছরের শেষ নাগাদ করোনা ভাইরাসের কয়েক লাখ ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এসব ভ্যাকসিন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সংস্থাটি। এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডব্লিউএইচওর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৌম্য স্বামীনাথান।

মহামারি করোনা ভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জোরালো প্রচেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব হয়নি। স্বামীনাথান বৃহস্পতিবার বলেন, বর্তমানে বিশ্বে করোনা ভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনে ২০০টিরও বেশি প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে ১০টি হিউম্যান ট্রায়ালের (মানুষের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভাগ্য ভালো হলে এই বছরের মধ্যে এক থেকে দুটি সফল ভ্যাকসিন পেয়ে যাব।’ খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির উদ্যোগ সফল হলে তিন শ্রেণির মানুষের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে বলে মনে করেন স্বামীনাথান। এরা হলেন চিকিত্সক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ—যারা সামনের কাতারে কাজ করেন, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি ও ডায়াবেটিক রোগী এবং শহুরে বস্তি বা কেয়ার হোমে অবস্থান করা উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা।

গত মাসে বিশ্বের বৃহত্ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা জানান, ২০২১ সালের আগে করোনা ভাইরাসের এক বা দুটি ভ্যাকসিন বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভাইরাসটিকে পরাজিত করতে কমপক্ষে দেড়শ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন পড়বে।