বকশীগঞ্জের কামালে বার্তি গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এক খুনের ঘটনা ঘটে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ও সুনসান মধ্যরাতে পুলিশ আর জনপ্রতিনিধি ছাড়া ঘটনাস্থলে কেউ নেই। তাই খুনিকে গ্রেফতার ও নিহত ব্যক্তির লাশ নিজেই কাঁধে তুলে নিয়ে থানায় ফিরলেন বকশীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম সম্রাট। তাকে সহায়তা করেন সাধুরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালের বার্তি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী মেহের আলী (৪৫) ও স্ত্রী সুলতানা বেগমের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী সুলতানা বেগম উত্তেজিত হয়ে পিঁড়ি দিয়ে স্বামী মেহের আলীর মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই মেহের আলী মারা যায়। খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম সম্রাটের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক স্ত্রী সুলতানা বেগমকে আটক ও লাশ থানায় আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু গভীররাত, করোনা পরিস্থিতি ও পুলিশের উপস্থিতির কারণে আশপাশের এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়ে। যানবাহনের কোনো সুযোগও নেই। তাই কোনো উপায় না পেয়ে ওসি শফিকুল ইসলাম সম্রাট ও চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু নিজেই নিহত মেহের আলীর লাশ কাঁধে তুলে থানায় নিয়ে আসেন।
