স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানিতে আরো ৫ হাজার ১৬১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন সুবিধা কার্যকর হবে বলে গতকাল শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। নতুন শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়াসহ সব মিলিয়ে চীনের বাজারে ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক লাখ ২ হাজার কোটি টাকা প্রায়), যার বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে (৮ হাজার ৪৯০ কোটি প্রায়)।
চীনের বাজারে ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পেলে তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় সব পণ্য চীনে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা পাবে। ফলে, চীনে রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। যা বাংলাদেশের বাণিজ্য বৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সিনিয়র সহসভাপতি এ টি এম আজিজুল আকিল ইত্তেফাককে বলেন, বাংলাদেশ আগেও শুল্কমুক্ত সুবিধা পেত। নতুন করে এ তালিকা অনেক বড়ো হয়েছে। তালিকায় যেসব পণ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সেগুলোর প্রায় সবই বাংলাদেশ চীনে রপ্তানি করে। তৈরি পোশাক, চামড়া, কৃষিজাত পণ্য এবং কিছু মত্স্যজাত পণ্য রপ্তানি বাড়বে। তবে এক্ষেত্রে যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদ ইত্তেফাককে বলেন, এই সুবিধা দেওয়ার ফলে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে। সেই সঙ্গে এখানে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
