ভারতে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার সংক্রমণ

আপডেট : ১৯ জুন ২০২০, ২২:৪০

লকডাউন শিথিলের পর থেকেই ভারতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে হু হু করে। পুরোনো সব রেকর্ড গুঁড়িয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮৬ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৩২। গতকাল শুক্রবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরো ৩৩৬ জন। ফলে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৫৭৩। দেশটিতে গত ১৫ জুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের কিছু বেশি। এরপর প্রতিদিনই অন্তত ১ হাজার করে বেড়েছে সংক্রমণ।  এশিয়ার মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষে এবং বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে     ভারত। তাদের চেয়ে বেশি লোক আক্রান্ত কেবল যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও রাশিয়ায়। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও অন্যান্য দেশের তুলনায় মৃত্যুহার বেশ কম। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লাখ ৪ হাজার ৭১০ জন। ভারতে করোনার হটস্পট হয়ে উঠেছে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু ও দিল্লি। সরকারি হিসেবে, মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৫০৪, তামিলনাড়ুতে ৫২ হাজার ৩৩৪ আর দিল্লিতে প্রায় ৫০ হাজার। আর গুজরাটে আক্রান্ত ২৫ হাজার ৬০১।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ওলকডাউন শিথিল করার পর গত ১৪ জুন থেকে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। এর আগে কিছুটা কমতির দিকে ছিল সংক্রমণ।  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২৮ হাজারের বেশি। মারা গেছে ৭৪৭ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ২২ লাখ ৬৪ হাজার আর মোট মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার। ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডাসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছে। অন্যদিকে, সংক্রমণে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান এখন তিন নম্বরে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সরকারিভাবে মৃত্যুর সংখ্যা ৭ হাজার ৮০০ জন। দেশটিতে সংক্রমণ পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। যুক্তরাজ্যে কিছুটা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ২০০ জনের। আর মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের।

অপরদিকে, সংক্রমণের হিসেবে রাশিয়াকে টপকে আগেই দ্বিতীয় স্থানে এসেছে ব্রাজিল। দেশটিতে মোট সংক্রমিত হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৮৫ হাজার। আর মৃত্যু হয়েছে ৪৭ হাজার ৮০০ জনের। গোটা বিশ্বে গতকাল পর্যন্ত সংক্রমিত লোকের সংখ্যা ছিল ৮৬ লাখ ১৬ হাজার। আর মোট মৃত্যু ৪ লাখ ৫৭ হাজার।