পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল!

আপডেট : ২০ জুন ২০২০, ২১:৪৩

বিপাকে গ্রাহক

বেতাগী (বরগুনা) সংবাদদাতা

বেতাগী পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল আসায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। অতিরিক্ত এ বিল কীভাবে পরিশোধ করা হবে বা এর কোনো সংশোধন হবে কি না এর কোনো সদুত্তর পাচ্ছেন না তারা। গ্রাহকদের অভিযোগ, মিটার না দেখেই মনগড়া বিল তৈরি করেছে পল্লী বিদ্যুত্। অনেক গ্রাহক পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও কোনো সদুত্তর পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ চলছে তাদের মধ্যে। বেতাগী ওয়াপদা রোডের মো. মজিবুর রহমান জানান, এবার তার সাড়ে ৪ হাজার টাকা বিল এসেছে। যা পূর্বের বিলের তুলনায় দ্বিগুণ বেশি। বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালী গ্রামের পুলিন বিহারী ঢালীর এ বছরের জানুয়ারি মাসে বিল আসে ১১৫ টাকা  এবং ফেব্রুয়ারি মাসে বিল আসে ১১৩ টাকা কিন্তু হঠাত্ করে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে বিল আসে ৩৭১ টাকা, ৪০৫ টাকা করে। যা আগের তুলনায় অনেকগুণ বেশি। এ বিষয় সদর ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামের গ্রাহক বাবুল বিশ্বাস বলেন, আমরা পল্লী বিদ্যুতের এ মনগড়া বিল নিয়ে বিপাকে রয়েছে, অতিরিক্ত বিলের একটা সংশোধন করা দরকার। এ ব্যাপারে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজীব আহসান বলেন, অতিরিক্ত বিল সম্পর্কে গ্রাহকরা আমাকে জানালে আমি পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেছেন।’ বেতাগী পল্লী বিদ্যুত্ উপ-কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. আবুল বাশার বলেন, করোনার কারণে বিল রিডার বাড়িতে ঢুকতে পারেনি। তবে পরে সমন্বয় করা হবে।  এ বিষয় পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি বরগুনা আঞ্চলিক অফিসের ডিজিএম মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের পল্লী বিদ্যুতে ভূতুড়ে ও ভুয়া বিলের সুযোগ নেই। মিটারের রিডিংয়ের চেয়ে অতিরিক্ত বিল হয়ে থাকলে এসব গ্রাহকদের বিল খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।