ইত্তেফাক রিপোর্ট
সম্প্রতি বিভিন্ন দুর্নীতি-অনিয়মের সংবাদ, ব্যঙ্গচিত্র বা আলোকচিত্র কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মত বা ভিন্ন মতপ্রকাশের জেরে সারাদেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা বিশেষ করে লেখক-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ (টিআইবি)। স্বেচ্ছাচারিতার পথ পরিহার করে স্বাধীন মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় অবিলম্বে এ ধরনের অগণতান্ত্রিক হয়রানি বন্ধ করে আটককৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্বেগ উত্কণ্ঠার কথা বলেন।
সম্প্রতি নিখোঁজ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের অন্তর্ধান রহস্যের সমাধান না করে উলটো নিজ দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের দৃশ্যত বানোয়াট মামলায় তাকে গ্রেফতার এবং অমানবিকভাবে হয়রানির উদাহরণ টেনে ড. জামান বলেন, দুর্নীতি-অনিয়মের বিভিন্ন তথ্যপ্রকাশ কিংবা সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের আচরণ একদিকে যেমন প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক তেমনি স্বাধীন মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার পরিপন্থি।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ বছর বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা এবং আটকের কঠোর সমালোচনা করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, রাষ্ট্রের উচিত ছিল এমন পরিবেশ তৈরি করা—যাতে গণমাধ্যম স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তথ্য প্রকাশ করতে পারে। অবিলম্বে এই আইনের বিতর্কিত ধারাসমূহ বাতিল এবং দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করে আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানান তিনি।
