বিদায়ী ২০১৮ বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে ৯৯ শতাংশ বা প্রায় দ্বিগুণ। তবে টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে। ডিএসইর তথ্যমতে, ২০১৮ সালে ওটিসি মার্কেটে মোট ২ কোটি ১৬ লাখ ৮৭ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এ শেয়ার কেনাবেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৭০ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অপরদিকে এর আগের বছর অর্থাত্ ২০১৭ সালে ১ কোটি ৮ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। যা টাকার অঙ্কে লেনদেন হয় ৭২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৯৯ শতাংশ। তবে লেনদেন কমেছে গত বছরের চেয়ে ২ কোটি টাকার বেশি। ডিএসই সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওটিসি মার্কেটকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ডিএসই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কাজ করে যাচ্ছে। বিএসইসি অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড রুলস আইন করেছে। যা খুব শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করবে বলে জানা যায়।
মার্কেট পিই:
২০১৮ সালের শেষ দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লি. এ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমূহের মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই দাঁড়ায় ১৫ দশমিক শূন্য ৯। অপরদিকে ২০১৭ সালের শেষ দিনে মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই ছিল ১৪ দশমিক ২৯। খাতওয়ারী মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই পর্যালোচনা করলে দেখা যায় মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মার্কেট পিই ৬ দশমিক ৮৯, ফুয়েল এন্ড পাওয়ার খাতের ১৩ দশমিক ৯৭, ব্যাংকিং খাতের মার্কেট পিই ৯ দশমিক শূন্য ৯, ইন্স্যুরেন্স খাতের মার্কেট পিই ১১ দশমিক ৭৪, আর্থিক খাতের পিই ১৩ দশমিক ৯৮ এবং টেক্সটাইল খাতের মার্কেট পিই ১৭ দশমিক শূন্য ৯। সামগ্রিক বাজার মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই ১৫ দশমিক শূন্য ৯।
ডিএসই জানায়, পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনের প্রতিষ্ঠানসমূহের অর্থায়ন ও তালিকাভুক্তির জন্য স্মল ক্যাপ বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এসএমই হলো অর্থনীতির বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশের আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ডিএসই বিশ্বাস করে স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম একটি উদ্যোক্তা সহায়ক প্লাটফর্ম হবে, যা সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা ক্ষুদ্র মূলধনের কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করবে। এছাড়াও এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো তাদের প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণের জন্য মূলধন বৃদ্ধি করতে পারবে।
