করোনাপরবর্তী স্বাস্থ্য ও পুষ্টি

আপডেট : ২০ জুন ২০২০, ২২:১০

করোনা পরিস্থিতির আগে দেশের অর্থনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক সূচকের অগ্রগতি ইতিবাচক ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিলেও সার্বিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতি নিয়ে সবসময়ই কিছুটা অসচেতনতা, অস্বস্তি ও উদ্বেগ ছিল। বর্তমানে করোনার থাবা বিষয়টি নিয়ে আরো ভাবিয়ে তুলেছে! দেশের পরিস্থিতি যখনই স্তাভাবিক হোক, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়টি এখন থেকেই গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের নিম্নবিত্ত বা হতদরিদ্র মানুষগুলো সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ সম্পর্কে এখনো অনেকটা অসচেতন। পাশাপাশি ভেজালযুক্ত খাবার গ্রহণের ক্ষতিকর দিক, সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবার বাছাই ও গ্রহণের উপকারী দিকগুলো সম্পর্কেও তাদের স্বচ্ছ ধারণার অভাব রয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। তাই সমাজের সব শ্রেণির শিশুর সুস্বাস্থ্য ও পরিমিত পুষ্টি নিশ্চিতকল্পে সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হলে ভবিষ্যতে মেধাবী, সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে উঠবে—এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সবোর্চ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত পাঁচ প্রকল্পের মধ্যে চতুর্থ ‘স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত’ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও পরিকল্পিত কর্মসূচি, দক্ষ জনবল ও সার্বিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নও জরুরি।

মো. সাকিবুল হাসান সজীব, মিরপুর, ঢাকা