স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ তিন সংস্থায় তথ্য চেয়ে দুদকের চিঠি

আপডেট : ২১ জুন ২০২০, ২১:৪৫

করোনা মহামারিতে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতদের জীবনের নিরাপত্তায় ব্যবহূত এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি-প্রতারণার অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ তিন সংস্থায় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রবিবার কমিশন থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার কমিশন অনুসন্ধানকাজ পরিচালনার জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করে। দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের যথাক্রমে সচিব, মহাপরিচালক ও পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। এসব চিঠিতে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে চাহিত তথ্য ও রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠানো চিঠিতে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ছাড়াও প্রকল্পসমূহের নাম, বরাদ্দকৃত ও ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ এবং বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মেসার্স জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডসহ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঐ চিঠিতে গত ২৬ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন কারণে যেসব ডাক্তারকে বদলি করা হয়েছে তাদের নাম, পদবি, বর্তমান কর্মস্থল, পূর্ববর্তী কমস্থল, মোবাইল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এদিকে এ প্রসঙ্গে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি সবাই নির্রারিত সময়ের মধ্যে এসব তথ্য ও রেকর্ডপত্র দিয়ে দুদককে সহায়তা করবেন। দুদক একটি পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধ ও অপরাধীদের চিহ্নিত করতে চায়। অপরাধী যে-ই হোন না কেন, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আমি আগেও বলেছি, আজো বলছি, এসব ক্ষেত্রে অপরাধীদের সামাজিক, পেশাগত বা অন্য কোনো পরিচয়ে কমিশন ন্যূনতম গুরুত্ব দেবে না। অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি করা হবেই।