দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিকরা বেতন-ভাতার দাবিতে গতকাল রবিবার আবাসিক গেটের সামনে দিনভর বিক্ষোভ-সমাবেশ করে। এসময় খনির ভেতরে-বাইরে কাউকে যাতায়াত করতে দেয়নি অবস্থানকারী শ্রমিকরা। বিক্ষোভ শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম, জাতীয় শ্রমিক লীগের কয়লাখনি শাখা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রতন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাহাবুবুল আলম, পর্ষদ পরিচালক রায়হানুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মো. লিটন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গত ২৬ মার্চ থেকে কয়লাখনি লকডাউন করে দেওয়ার কারণে ১ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ সীমিত আকারে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়ে ৪০০ শ্রমিককে কাজে যোগদানের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে বেশিরভাগ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। উপরন্তু মার্চ থেকে এ পর্যন্ত কোনো শ্রমিককেই বেতনভাতা দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে খনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রবিবার বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।
খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতা বৈঠক করা হয়েছে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির দ্রুত সমাধান করা হবে।
