খুলনা অফিস
রোগীর স্বজনদের হাতে নির্মম মারপিটের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণকারী ডা. আব্দুর রকিব খানের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবি জানিয়েছে বিএমএ খুলনা শাখা। পাশাপাশি চিকিত্সকদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি করা হয়েছে। যাতে হাসপাতাল অথবা চিকিত্সকদের চেম্বারে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে দায়িদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা যায়। গতকাল সোমবার দুপুরে স্থানীয় বিএমএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিত্সক নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।
এসময় বিএমএ খুলনা শাখার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, অপারেশনজনিত কারণে কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়মুক্তি দেওয়া আছে। রোগীর স্বজনদের অনুমতি সাপেক্ষে একজন চিকিত্সক রোগীর অপারেশন করেন। অপারেশনজনিত মৃত্যুর ঘটনা হত্যাকাণ্ড নয়; আর ভুল চিকিত্সার কথা রোগী বা তার স্বজনরা বলতে পারে না। এজন্য নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে। এক্ষেত্রে রোগী বা তার স্বজনরা যেকোনো অভিযোগ মেডিক্যাল কাউন্সিলে করতে পারেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাইসা ক্লিনিকে চিকিত্সাজনিত কোনো ত্রুটি হয়েছিল কি না তা দেখার জন্য বিএমএ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ঐ ক্লিনিক বা চিকিত্সকের কোনো পেশাগত অসততার দায়ও বিএমএ নেবে না।
এদিকে খুলনায় করোনা রোগী বৃদ্ধি ও করোনাসংক্রান্ত পরীক্ষার চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিত্সক নেতৃবৃন্দ আরো তিনটি পিসিআর মেশিন বসানোর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, এই মুহূর্তে করোনা পরীক্ষার চাপ অনেক। নমুনা পরীক্ষা প্রার্থীরা দ্রুত ফলাফল না পেয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন। নমুনা পরীক্ষার জন্য এই মুহূর্তে আরো তিনটি পিসিআর ল্যাব বসানোর বিকল্প নেই। তা না হলে পরীক্ষা প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে। যার শিকার চিকিত্সকরাই হতে পারেন।
