জাবিতে ৩ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:৫৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রত্নতত্ত্ব, চারুকলা এবং সরকার ও রাজনীতিসহ তিনটি বিভাগের অস্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আগামী ছয় মাসের জন্য এ স্থগিতাদেশ দেয়।

গত ৮ নভেম্বর শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র গাজী ইব্রাহিম আল মামুন ও মো. শহিদুল ইসলাম এ রিট করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, জাবির উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি বরাবর রুল জারি করা হয়েছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে দুইটি, চারুকলা বিভাগে একটি এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগে দুইটি অস্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীর এসএসসি ও এইচএসসি উভয় ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে ১ম বিভাগ ও গ্রেডিং পদ্ধতিতে বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার জন্য জিপিএ ৪.২৫, মানবিক শাখার জন্য জিপিএ ৪, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় সনাতন পদ্ধতিতে ১ম শ্রেণি ও গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২ মার্চ ২০১০ তারিখে জিপিএ ৩.০০ বা তার বেশিকে সনাতন পদ্ধতিতে প্রথম বিভাগ, জিপিএ ২.০০-৩.০০ এর কম দ্বিতীয় বিভাগ এবং জিপিএ ১ থেকে ২ এর কমকে তৃতীয় বিভাগ বলে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়। কিন্তু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে এই নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রিটকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাকে যে জিপিএ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, একই জিপিএ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে আমি মনে করছি, আমার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে।