আগের মিটারে যে বিল আসত, অনেকের অভিযোগ—প্রিপেইড মিটারে তার চেয়ে অনেক বেশি বিল আসছে। রিচার্জের ক্ষেত্রেও টাকা বেশি কেটে নেওয়া হয় অনেক সময়। শুধু তাই নয়, ইমার্জেন্সি ১০০ টাকার ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে চল্লিশ টাকা বেশি কেটে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পল্লীবিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে অপচয় কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু মিটারে কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে—গ্রাহক পর্যায়ের অসন্তোষ নিয়ে পল্লীবিদ্যুতের কারো মাথাব্যথা নেই! ক্যালিব্রেশনের সমস্যার কারণে একই মিটার দুই জায়গায় দুই ধরনের রিডিং দিতে পারে—এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে বারবার অভিযোগ আসছে, সেহেতু বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন। সবচেয়ে বড়ো কথা—যদি গ্রাহক অযথা টাকার বোঝা নিয়ে থাকে সেটা অবশ্যই কর্তৃপক্ষের অবহেলাই বলতে হবে। সুতরাং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সরকারে যাঁরা আছেন, তাঁদের বিষয়টি দেখা উচিত বলে মনে করি। আশা করি, তাঁরা তা করবেন।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর
