রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, ‘রেল খাতকে লাভজনক হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি পরিবহনের মতো রাজধানী ও বিভাগীয় শহরে একাধিক স্পটে টিকিট কাউন্টার স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকায় ১১টি পয়েন্টে ট্রেনের টিকিট কাউন্টার স্থাপন করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় জাপার চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গার এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের কারণে রেলভ্রমণে সামাজিক দূরুত্ব মেনে চলার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের টিকিট শুধু অনলাইনের মাধ্যমে ইস্যু করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়েও আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের শতভাগ টিকিট অনলাইনে ইস্যুর বিষয়টি বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিকল্পনায় রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আন্তঃনগর ছাড়া অন্যান্য ট্রেনের টিকিটের জন্য বিভিন্ন স্থানে কাউন্টার স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ রেলপথমন্ত্রী আরো বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে ২৭ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৬৭ দিনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এখন সীমিত পরিসরে ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব ক্ষতি পূরণ এবং জনগণের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে চার জোড়া পার্সেল ট্রেন এবং আম-লিচুসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য সম্প্রতি ম্যাঙ্গো স্পেশাল নামে আরো একটি পার্সেল ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে।’
