এ বছর সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে তিনটিতে নৌকা ও দুটিতে লাঙ্গল প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোটের প্রার্থীরা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই গঠন করা হবে মন্ত্রিসভা। সে কারণেই এবার আলোচনায় চলে এসেছে নারায়ণগঞ্জ। এবারও কী মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়বে নারায়ণগঞ্জ; নাকি স্থান হবে মন্ত্রিসভায়।
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধে এ জেলার অবদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সামরিক সরকার জিয়াউর রহমানের (বিএনপি) শাসনামলে নারায়ণগঞ্জ থেকে এম এ সাত্তারকে প্রথম মন্ত্রী করা হয়। পাটমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সাত্তার ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের এমপি ছিলেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি আব্দুল মতিন চৌধুরীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করে। মতিন চৌধুরী রূপগঞ্জ আসন থেকে এমপি হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই আওয়ামী লীগ জোট বিজয়ী হয়। ২০০১ সালে ফের বিএনপি ক্ষমতায় আসে। তখন আব্দুল মতিন চৌধুরীকে বস্ত্রমন্ত্রী করা হয়। একই সঙ্গে সোনারগাঁ আসন থেকে নির্বাচিত অধ্যাপক রেজাউল করিমকেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী করা হয়।
২০০৮ সালে নির্বাচনে আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। এবারও জেলার পাঁচটি আসনের চারটিতে আওয়ামী লীগ জোট নির্বাচিত হয়। কিন্তু নারায়ণগঞ্জবাসী মন্ত্রী পায়নি। ২০১৪ সালেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। জেলার পাঁচটি আসনই আওয়ামী লীগ ও শরিকরা পায়। তবে এবারের মন্ত্রিসভায়ও নারায়ণগঞ্জ স্থান পায়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছে নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা এবার নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় যেন নারায়ণগঞ্জের স্থান হয়।
