তুরা স্থলবন্দর সড়ক

বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ দুর্ঘটনার আশঙ্কা

আপডেট : ২৩ জুন ২০২০, ২২:৩০

রৌমারী উপজেলার তুরা স্থলবন্দর সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন অংশে ছোটো-বড়ো খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হালকা ও ভারী যানবাহন। যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে স্থলবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে সোমবার সকাল ১০টার দিকে দেখা যায়, উপজেলার নটানপাড়া হতে চরনতুনবন্দর স্থলবন্দর পযর্ন্ত তুরা রাস্তার ১০৪ জাগায় অতিবৃষ্টির কারণে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

গাড়িচালক ছাইদার রহমান, হাফিজার, জালেমউদ্দিন বলেন, রৌমারী উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো রাস্তা তুরা রোড, বৃষ্টির পানিতে রাস্তার জাগায় জাগায় ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালান, একটু জোড়ে চালালেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সড়ক দিয়ে স্থানীয় চরনতুনবন্দর স্থলবন্দর হয়ে ভারতের আসাম রাজ্য থেকে পাথর, কয়লা, শুঁটকি, আদাসহ বিভিন্ন মালামাল আমদানি করা হচ্ছে। আবার বাংলাদেশ থেকে তুলা, মেলামাইন, প্লাস্টিকের আসবাবপত্র ও বইসহ বিভিন্ন মালামাল রপ্তানি করা হয়। এসব মালামাল নিয়ে প্রতিদিন ৫০/৬০টি ট্রাকের পাশাপাশি রিকশা, অটোভ্যান, মোটরসাইকেল এ সড়ক দিয়ে চলাচল করছে। স্থলবন্দরে প্রায় ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম শালু বলেন, স্থলবন্দরের সাড়ে চার কিলোমিটার খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। প্রতিদিন এ পথে শতশত যানবাহন চলাচল করে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়েছে। বড়ো ভাঙাগুলো মেরামত হয়েছে, ছোটো ছোটো খানাখন্দগুলো মেরামতে কাজ হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের কাজ চলছে। কোনো অনিয়ম হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।