মহারশি নদীর ডাকাবরে ব্রিজ নির্মাণের দাবি

আপডেট : ২৩ জুন ২০২০, ২২:৩৩

শেরপুর উপজেলার ডাকাবরে মহারশি নদীর ওপর ব্রিজ না থাকায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শুষ্ক মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোতে পারাপার হতে হয় স্থানীয়দের। উত্পাদিত কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু নিয়ে নানান বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় কৃষকদের।

নলকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ফর্সা জানান, নলকুড়া ইউনিয়নের মরিয়মনগর-ডাকাবর রাস্তার মাঝপথে মহারশি নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। উপজেলার নলকুড়া, কুশাইকুড়া, ভারুয়া, ফাকরাবাদ, ধোপাকুড়া, ভারুগাঁও, মানিককুড়া, গজারীকুড়া, গজারীপাড়া হলদিগ্রাম, জারুলতলা, বাঐবাধা, বারোয়ামারী, ডাকাবর, রামেরকুড়া, শালচুড়া ও প্রায় ২০ গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করে থাকে। তিনি বলেন, এ নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্যে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনাও হয়েছে। আশ্বাসও পাওয়া গেছে। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

নলকুড়া গ্রামের জাহিদুল হক মিলন, মিন্টু মিয়া, মো. আলী, মরিয়ম নগর গ্রামের জেমস মারাক, মরিয়মনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন আরেং, ঝিনাইগাতী মহিলা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানসহ ভুক্তভোগী আরো অনেকেই জানান, এ রাস্তার উভয় পাশে দুইটি মহাবিদ্যালয়, চারটি উচ্চ বিদ্যালয়, দুইটি দাখিল মাদ্রাসা, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি দপ্তর রয়েছে। ব্রিজ না থাকায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে আসতে হয় স্কুল, কলেজ, হাটবাজার ও অফিস-আদালতে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করে ব্রিজটি নির্মাণের জন্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলেই নির্মাণ করা হবে।