দাসত্বের মুক্তি চাই

আপডেট : ২৫ জুন ২০২০, ২২:২৯

করোনার প্রকোপে গোটা বিশ্ব যখন নাকাল তখন আমরা কিন্তু বেপরোয়া। চায়ের কাপে করোনার ভয়াবহতা নিয়ে ঝড় উঠলেও সচেতনার থোড়াই কেয়ার করি আমরা। আমাদের উপলব্ধি কিন্তু আমাদের সচেতন করতে পারেনি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করেনি। যখনই প্রশাসন লাঠি পেটা করে তখন আমরা সামাজিক দূরত্ব রক্ষার অভিনয় করি। এটাই দাসত্বের চাষ। যেখানে নিজের উপলব্ধি নিজের কাছেই অসহায়। স্বাস্থ্য নিয়ে রীতিমত আমরা বুলি ফোটাই। সেই বুলির সে­াগানে আমরা কিন্তু হাসপাতাল বানাইনি। টাকা বানিয়েছি। আবার করোনার ধাক্কায় বানাব বানাব করছি, আবারো ধাক্কা। এটাই দাসত্বের চাষ। আলো জ্বালালে চারপাশ আলোকিত হবেই। আমাদের শিক্ষিতরা কিন্তু আলো ছড়াতে পারছেন না। সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে, কলেজের  ছাত্র কিংবা শিক্ষক অথবা মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক। একই কথা। আলো ছড়ালে কি আর স্বাধীনতার এত বছর পর শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা থাকে? কিংবা কাদা ছোড়াছুড়ি চলে? কেউ এদের দোষারোপ করলে বলে আমরা কিন্তু এসব পছন্দ করি না। এ কথাটা কেন সবার উচ্চারণ হয় না, ধাক্কায় পড়লে কেন বলি এটা? দাসত্বের কারণে। রাজনীতির কথা তোলা যাচ্ছে না। এটাতে আমার দাসত্ব আছে। জাতীয় পর্যায়ে এমন অনেক দাসত্বকে আমরা শৈল্পিক মর্যাদা দিয়েছি। ফলে সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে আজ নিম্নমুখী চিন্তা বাড়ছে। যা একটি সমাজকে বর্বর করে তোলে। এই দাসত্ব থেকে মুক্তি চাই।

মু. ইলিয়াস আলমগীর

এলএলএম, আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া