ভ্যাটে বড় ছাড় আসতে পারে

আপডেট : ২৫ জুন ২০২০, ২৩:১৭

প্রস্তাবিত বাজেটে আয়কর ও ভ্যাটের বেশকিছু বিষয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। তাদের আপত্তি এবং চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ের গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ভ্যাটে কয়েকটি বিষয়ে বড় ছাড় দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে। রেয়াত পেতে কাঁচামাল ব্যবহারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা উঠে যেতে পারে। অন্যদিকে ভ্যাট আপিলের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ব্যয় দ্বিগুণ করার প্রস্তাব হলেও শেষ পর্যন্ত  কমতে পারে। আপিলের বর্ধিত এই খরচ আপিল কিংবা ট্রাইব্যুনাল—যে কোনো এক জায়গা থেকে উঠে যেতে পারে। এ ছাড়া কালো টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তিন বছরের বাধ্যবাধকতার শর্তেও ছাড় আসতে পারে। অর্থমন্ত্রণালয়ের বাজেট সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এসব ছাড়ের পাশাপাশি আরো কিছু পরিবর্তন এনে আগামী ২৯ জুন সংসদে প্রস্তাবিত অর্থবিল পাশ হতে যাচ্ছে। আর পরদিন মঙ্গলবার পাশ হবে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট।

প্রস্তাবিত বাজেটে কাঁচামাল আমদানির চার মাসের মধ্যে ব্যবহার না হলে এর ওপর ভ্যাট রেয়াত নেওয়ার সুযোগ বাতিল করার কথা বলা হয়। ইস্যুটি নিয়ে আপত্তি তোলেন শিল্পোদ্যোক্তারা। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই যৌক্তিক কারণেও আমদানিকৃত কাঁচামাল চার মাসের মধ্যে ব্যবহার হয় না। রেয়াত না পেলে উদ্যোক্তারা বিপুল পরিমাণ লোকসানের মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কার কথা জানানো হয়। অন্যদিকে বর্তমানে যে কোনো ভ্যাটসংক্রান্ত বিরোধে আপিল করতে কমিশনারেট পর্যায়ে ১০ শতাংশ, আপিলাত ট্রাইব্যুনালে ১০ শতাংশ ও উচ্চ আদালতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ ভ্যাট অগ্রিম পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাজেটে আপিলাত ট্রাইব্যুনাল ও উচ্চ আদালতে যাওয়ার ক্ষেত্রে তা ২০ শতাংশ করে করা হয়। ব্যবসায়ীরা বলে আসছেন, এতে বিপুল পরিমাণ চলতি মূলধন আটকে যেতে পারে। বাস্তবতা বিবেচনায় এক্ষেত্রে ছাড় আসতে পারে।