প্রবাসী অধ্যুষিত, সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম ইতিমধ্যেই উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এখনই মানুষ এই সেবা নিতে পারছে না। বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপপরিচালক নূরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, আমরা সবকিছু প্রস্তুত রেখেছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবেদনকারীরা ই-পাসপোর্ট পাবেন। করোনা মহামারির মধ্যে আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক নেওয়া বা তার কাছ থেকে তথ্য গ্রহণ করাও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বর্তমানে নতুন পাসপোর্ট দেওয়া বন্ধ। শুধু যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নবায়ন করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি দেশে ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করা হয়। এরপর আরো কয়েকটি জেলায় ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়। গত ১৫ জুন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমদ সিলেটের আলমপুরস্থ বিভাগীয় অফিসে ফিতা কেটে এই বিভাগে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সূত্র মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সিলেটে কেউ ইচ্ছে করলে তার এমআরপি পাসপোর্ট পরিবর্তন করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ই-পাসপোর্ট করে নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আগের এমআরপি পাসপোর্টটি বাতিল হয়ে যাবে। তবে যারা এখনি ই-পাসপোর্ট করতে চান না, তাদের এমআরপি পাসপোর্টই বহাল থাকবে। কিন্তু কারো এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তাকে তা বদল করে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সিলেট পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক বলেন, করোনা সংক্রান্ত কারণে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়। এই পরিস্থিতিতে সূচনার সময় শুধু দুটি আবেদন নেওয়া হয় ঐ দিন। নূরুল হুদা জানান, এমআরপির জন্য জমাকৃত আবেদনের স্তূপ খুব শিগিগরই শেষ হয়ে যাবে। তারা দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। ঢাকায় প্রিন্ট চলছে।
