গ্যালারি কায়ায় ১৯ শিল্পীর চিত্রপ্রদর্শনী
ইত্তেফাক রিপোর্ট
উত্তরার গ্যালারি কায়ায় শুরু হয়েছে ‘সেলিব্রেটিং ন্যাচার’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী। করোনা সংক্রমণের কারণে ছবির গ্যালারিগুলো বন্ধ ছিল। এখন সীমিত পরিসরে এ প্রদর্শনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফের চালু হলো গ্যালারি। যদিও করোনাকালের ‘নিউ নরমাল’ প্রদর্শনী বলা হচ্ছে এ আয়োজনকে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। প্রদর্শনীতে সমকালীন ১৯ জন শিল্পীর ১৪০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে।
গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী জানান, শিল্পরসিকরা গ্যালারি কায়ার ফেসবুক পেজে গেলে ছবিগুলো দেখতে পাবেন। সেখান থেকে পছন্দমতো সংগ্রহ করতে পারবেন। গ্যালারিতে অল্পকিছু ছবি রাখা হয়েছে। গ্যালারিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রবেশ করার সুযোগ থাকছে। তবে, আমরা অনলাইনে ছবি দেখাকেই বেশি উত্সাহিত করছি। প্রদর্শনীর ছবিতে উঠে এসেছে চিরায়ত বাংলার প্রকৃতি। বিশেষ করে এই করোনাকালে সবকিছু লকডাউন হলেও প্রকৃতি যেন বাঁধন খুলে মেলে ধরেছে তার সৌন্দর্য। নেই নগরের যান্ত্রিক ব্যস্ততা, নেই প্রকৃতি জুড়ে দূষণের কালো ছায়া। আর এতেই প্রকৃতি হয়ে উঠেছে নির্মল, স্নিগ্ধ, সতেজ। আর প্রকৃতির সেই সতেজ স্নিগ্ধ রূপই ফুটে উঠেছে শিল্পীদের ক্যানভাসে। আদিগন্ত প্রকৃতি, গ্রামের মেঠো পথ, নদীতে বাঁধা নৌকা, অরণ্য, পাহাড়। যতদূর চোখ যায় সবুজ প্রকৃতির নির্মল সৌন্দর্য। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া শিল্পীরা হলেন আব্দুল্লাহ আল বশীর, আহমেদ শামসুদ্দোহা, আলপ্তগীন তুষার, আনিসুজ্জামান, আশরাফুল হাসান, আজমীর হোসেন, চন্দ্র শেখর দে, হামিদুজ্জামান খান, জামাল আহমেদ, কামালুদ্দীন, মোহাম্মদ ইকবাল, মং শং শ, রণজিত্ দাস, রুহুল আমিন তারেক, শাহানুর মামুন, শেখ আফজাল হোসেন, সোহাগ পারভেজ, সুমন ওয়াহেদ এবং তরুণ ঘোষ। প্রদর্শনী চলবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত।
